চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েদের মুগ্ধতার লড়াই
সিডনির কমনওয়েলথ ব্যাংক স্টেডিয়ামের দর্শকধারণ ক্ষমতা হাজার বিশেকের বেশি। নারী এশিয়ান কাপ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ও চীনের ম্যাচ দেখতে ছয় হাজারের বেশি দর্শক উপস্থিত হয়েছিলেন। এশিয়া কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ও সবচেয়ে বেশিবারের চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের এশিয়ান মঞ্চের অভিষেক ম্যাচের স্বাক্ষী হয়েছেন কয়েক হাজার প্রবাসী বাংলাদেশিও। চীনের বিপক্ষে মাত্র ০-২ গোলে লড়াকু হারের স্বাক্ষী হয়েছেন তারা।
চীনের র্যাংকিং ১৭, বাংলাদেশের ১১২। অসম লড়াইয়ে বাংলাদেশ কেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সেটাই ছিল দেখার। বাংলাদেশ নির্ধারিত ৯০ মিনিট পজিটিভ ফুটবলই খেলেছে। ডিফেন্সে বেশি খেলোয়াড় রাখলেও মিডফিল্ডে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে আক্রমণও হয়েছে বাংলাদেশের। চীনের ফুটবলাররা বাংলাদেশের চেয়ে ফিজিক্যালি, টেকনিক্যালি অনেক এগিয়ে। তবে মাঠের লড়াইয়ে বাংলাদেশ দলের ফিটনেস ছিল প্রশংসনীয় পর্যায়ে। বল দখলের লড়াই কিংবা তাড়ায় খুব বেশি পেছনে ছিলেন না ঋতুপর্ণারা।
এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন চীনকে প্রথম গোল পেতে ৪৪ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। প্রথমার্ধের শেষ দুই মিনিটে দুই গোল করে চীন। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ বল পজেশনে আগের চেয়ে উন্নতি করে। এই অর্ধে খানিকটা রক্ষণের খোলস ভেঙে আক্রমণেরও চেষ্টা করেছে। গোলরক্ষক মিলি আক্তার জাতীয় দলে নিয়মিত একাদশে খেলেন না। এশিয়ান কাপের মঞ্চে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে প্রথম দিকে নার্ভাস ছিলেন। সময়ের সাথে সাথে নিজেকে মানিয়ে নেন। বেশ কয়েকটি ভালো সেভ করেন।
- ট্যাগ:
- খেলা
- বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল
- এশিয়ান কাপ