You have reached your daily news limit

Please log in to continue


খামেনির মৃত্যু : ইরানের শাসনব্যবস্থা কি ভেঙে পড়বে?

যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নিহত হওয়ার ঘটনাটি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির নেতৃত্বের জন্য সবচেয়ে বড় আঘাত। এই ঘটনার পর খামেনির সমর্থকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এবং তারা প্রতিবাদ শুরু করেছেন।

১৯৮৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের স্থপতি আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর খামেনি ইরানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি দেশটির আমূল পরিবর্তন ও নীতিনির্ধারণে নেতৃত্ব দিয়েছেন। রোববার ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, খামেনি এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া এখন ইরানের ‘পবিত্র দায়িত্ব এবং বৈধ অধিকার’।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানকে ইরানের জন্য একটি ‘মুক্তির মুহূর্ত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে, শরীরের ‘মাথা’ (শীর্ষ নেতৃত্ব) সরিয়ে দিলে পুরো দেহ বা রাষ্ট্রব্যবস্থা দ্রুত ভেঙে পড়বে। তবে ইরানের বাস্তব পরিস্থিতি বলছে অন্য কথা— বিষয়টি হয়তো ট্রাম্পের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি জটিল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন