ইফতারের পর মাথাব্যথা? জেনে নিন এড়ানোর উপায়

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:২১

রোজা রাখার পর ইফতারের আনন্দের মাঝেই অনেকের মাথাব্যথা হয়। সারাদিন না খেয়ে থাকার পর খাবার মুখে দিতে না দিতেই মাথা যেন ভারী হয়ে ওঠে।


এই ব্যথা অনেকের কাছেই পরিচিত একটা ঝামেলা। কখনও কপালে টনটন করে, কখনও মাথার পেছনে চাপ অনুভূত হয়, আবার কারও কারও চোখের ওপর দিয়ে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে।


বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়ন বলেন, “একে বলা হয় ‘ফাস্টিং হেডেক’ বা উপবাসজনিত মাথাব্যথা। এটি সাধারণত মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের হয় এবং মূলত কপালে অনুভূত হয়।”


ভালো খবর হল, খাবার খাওয়ার পর সাধারণত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই ব্যথা সেরে যায়। তবে সঠিক কারণ জেনে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে এটি অনেকাংশে এড়ানো যায়।


ইফতারের পর মাথাব্যথার সবচেয়ে বড় কারণ পানিশূন্যতা। সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হয়। অনেকে মনে করেন ইফতারে প্রচুর পানি গ্রহণ করলেই হবে। আসলে দিনভর পানির অভাব মাথার রক্তনালী সংকুচিত করে ব্যথা তৈরি করে।


দ্বিতীয় কারণ- ক্যাফিন ছাড়ার ঝামেলা। যারা নিয়মিত চা-কফি পান করেন, তারা রোজার সময় ক্যাফিন না পেলে মাথাব্যথায় ভুগতে পারেন। সাধারণত শেষবার ক্যাফিন নেওয়ার ১৮ ঘণ্টা পর এই ব্যথা শুরু হয়।


তৃতীয় কারণ রক্তে শর্করার স্বল্পতা। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে রক্তে গ্লুকোজ কমে যায়, যা মস্তিষ্কের ব্যথানুবর্তী ‘রিসেপ্টর’গুলোকে উত্তেজিত করে। যাদের আগে থেকে মাইগ্রেইনের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে রোজা এই ব্যথাকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।


ইফতারের পর মাথাব্যথার লক্ষণগুলো বোঝা জরুরি। এই ব্যথা সাধারণত মৃদু থেকে মাঝারি হয় এবং কপালে বা মাথার দুপাশে অনুভূত হয়।


মাইগ্রেইনের মতো দপদপ করে না। তবে যাদের মাইগ্রেইন আছে, তাদের ক্ষেত্রে রোজা ট্রিগার হিসেবে কাজ করতে পারে।


ব্যথা যদি খুব তীব্র হয়, ঘাড় শক্ত হয়ে যায়, বমি হয়, বিভ্রান্তি দেখা দেয়, জ্বর হয় বা শরীরের কোনো অংশ অবশ হয়ে যায়— তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও