রক্তস্বল্পতা মানেই আয়রনের ঘাটতি নয়

দেশ রূপান্তর প্রকাশিত: ০২ আগস্ট ২০২৬, ১১:১১

রক্তস্বল্পতা (Anemia) ) বিশ্বের প্রচলিত জনস্বাস্থ্য সমস্যা। অনেকের ধারণা, রক্তস্বল্পতা মানেই শরীরে আয়রনের ঘাটতি, আর চিকিৎসা হলো আয়রন ট্যাবলেট বা সিরাপ খাওয়া। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। সব ধরনের রক্তস্বল্পতা আয়রনের অভাবে হয় না। কিছু ক্ষেত্রে অযথা আয়রন ওষুধ রোগ নির্ণয়ে বিলম্ব ঘটায়। রোগের জটিলতা বাড়াতে পারে এবং শরীরে অতিরিক্ত আয়রন জমে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির কারণ হয়। রক্তস্বল্পতার চিকিৎসা শুরু করার আগে প্রকৃত কারণ জানা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে রক্তস্বল্পতার কারণ শুধু আয়রনের ঘাটতি নয়; অপুষ্টি, ফোলেট ও ভিটামিন বি১২-এর অভাব, দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ, কৃমি, কিডনি রোগ, থ্যালাসেমিয়া এবং অন্যান্য রক্তরোগও ভূমিকা রাখে।


রক্তস্বল্পতা কী


রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে তাকে রক্তস্বল্পতা বলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পূর্ণ বয়স্ক পুরুষের হিমোগ্লোবিন ১৩.০ ম/ফখ-এর কম হলে অ্যানিমিয়া ধরা হয়। নারী (গর্ভবতী নন) হিমোগ্লোবিন ১২.০ ম/ফখ-এর কম হলে রক্তস্বল্পতা ধরা হয়। এ ছাড়া গর্ভবতী নারী যাদের হিমোগ্লোবিন ১১.০ ম/ফখ-এর কম হলে রক্তস্বল্পতা হিসেবে ধরা হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে বয়সভেদে এই মাত্রাটি আরও কম। শিশুদের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ১১ ম/ফখ-এর নিচে হলে রক্তস্বল্পতা ধরা হয়। হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। রক্তস্বল্পতার লক্ষণ হলো দুর্বলতা, সহজে ক্লান্ত হওয়া, মাথা ঘোরা, বুক ধড়ফড় করা, মাথাব্যথা, মুখমন্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও