রাজসাক্ষী ছাড়া দুর্বল হতো মামলা, তবে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তও দরকার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের বিদায়বেলায় রাজসাক্ষী উঠে এসেছে আলোচনায়। এ আলোচনার কারণ একজন প্রসিকিউটরের অভিযোগ। তিনি দাবি করেছেন, এই রাজসাক্ষী ঠিক করার পেছনে রয়েছে দুর্নীতি।
বিষয়টি আলোচনায় ওঠার পর তা নিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন যুক্তরাজ্যের সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান, যিনি দেড় দশক ধরে বাংলাদেশের এই ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে আসছেন।
রাজসাক্ষী যে বিশ্বজুড়ে ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার একটি পুরোনো ও প্রতিষ্ঠিত অংশ, তা তুলে ধরে তিনি লিখেছেন, অনেক জটিল বা রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল মামলায় ভেতরের কারও সাক্ষ্য আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অ্যাপ্রুভার বা রাজসাক্ষী হিসেবে সাবেক পুলিশপ্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের সাক্ষ্য যে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের বিচারে মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি ছিল, তা তুলে ধরেছেন ডেভিড বার্গম্যান।
প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ দাবি করেছেন, সাবেক আইজিপি মামুনকে “ন্যায্য কারণ ছাড়াই” রাজসাক্ষী করা হয়েছিল।