You have reached your daily news limit

Please log in to continue


রক্তে সোডিয়াম কমে যাওয়ার কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও করণীয়

মানবদেহে সোডিয়াম একটি অত্যাবশ্যক ইলেকট্রোলাইট, যা রক্তের তরল ভারসাম্য রক্ষা, স্নায়ু সংকেত পরিবহন এবং পেশির স্বাভাবিক সংকোচন-স্ফীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রক্তে সোডিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা ১৩৫ থেকে ১৪৫ মিলিমোল প্রতি লিটার। এই মাত্রা ১৩৫-এর নিচে নেমে গেলে তাকে ‘হাইপোন্যাট্রিমিয়া’ বলা হয়।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়নের মতে- এই অবস্থা হালকা থেকে গুরুতর পর্যন্ত হতে পারে এবং সময়মতো চিকিৎসা না নিলে জীবনঝুঁকি তৈরি হয়।

হাইপোন্যাট্রিমিয়া’র প্রধান কারণসমূহ

রক্তে সোডিয়াম কমে যাওয়ার পেছনে বিভিন্ন শারীরিক ও রোগজনিত কারণ কাজ করে।

প্রথমত- শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়াম হারানো। ডায়রিয়া, বারবার বমি, অতিরিক্ত ঘাম, উচ্চ জ্বর বা দীর্ঘস্থায়ী অতিরিক্ত প্রস্রাবের সমস্যার কারণে সোডিয়াম বেরিয়ে যেতে পারে।

এই ক্ষেত্রে শরীর পানি হারালেও সোডিয়ামের ক্ষয় বেশি হয়, ফলে রক্তে তার ঘনত্ব কমে।

দ্বিতীয়ত- শরীরে অতিরিক্ত পানি জমা হওয়া। অল্প সময়ে অত্যধিক পানি পান করলে (বিশেষ করে ম্যারাথন দৌড়ানোর সময় বা মানসিক রোগে), রক্ত পাতলা হয়ে সোডিয়ামের ঘনত্ব কমে যায়।

কিডনি বা বৃক্কের কার্যক্ষমতা কমে গেলে শরীর অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে, যা হাইপোন্যাট্রিমিয়া’র ঝুঁকি বাড়ায়।

তৃতীয়ত- বিভিন্ন ওষুধের প্রভাব। ডিউরেটিক (প্রস্রাব বাড়ানোর ওষুধ), কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, ব্যথানাশক ও মানসিক রোগের ওষুধ সোডিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন