ইফতারে মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে
রমজান মাসের ইফতারে তুলনামূলকভাবে বেশি ভাজাপোড়া আর মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া হয়। যাঁদের মিষ্টি পছন্দ, তাঁদের ধারণা থাকে সারা দিন রোজা রাখার পর চিনিজাতীয় জিনিস একটু বেশি খেলে ক্ষতি নেই। তবে বিষয়টি একেবারেই তেমন নয়। বরং ইফতারে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার বা পানীয় খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায় এবং কিছুক্ষণ পরেই তা আবার কমে গিয়ে আপনাকে আরও বেশি ক্ষুধার্ত ও ক্লান্ত করে তোলে। এই চক্রই মূলত সুগার ক্রেভিং বা মিষ্টি খাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি করে।
আমরা কেন মিষ্টি খেতে চাই?
মানুষের মিষ্টির প্রতি অনুরাগ জন্মগত। কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা মস্তিষ্কে সেরোটোনিন নামের একটি হরমোন নিঃসরণ করে, যা আমাদের ভালো অনুভব করতে সহায়তা করে। এ ছাড়া চিনি খেলে মস্তিষ্কে এন্ডোরফিন নিঃসৃত হয়, যা আমাদের শান্ত হতে সাহায্য করে। এই মানসিক প্রশান্তির কারণেই আমরা বারবার মিষ্টির দিকে ঝুঁকে পড়ি। কিন্তু সমস্যা তখনই শুরু হয়, যখন আমরা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি চিনি খেয়ে ফেলি। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, একজন নারীর দৈনিক ৬ চামচ এবং পুরুষের ৯ চামচের বেশি চিনি খাওয়া উচিত নয়। অথচ আমরা গড়ে তার চেয়ে অনেক বেশি চিনি গ্রহণ করি।