বিশ্বজুড়ে বিচিত্র সেহরি ও ইফতার: ভিন্ন স্বাদেও অনুভূতি অভিন্ন

যুগান্তর প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:০৫

রমজান এমন একটি মাস, যা পৃথিবীর সব প্রান্তে ভিন্ন ভিন্ন রঙে ধরা দেয়, তবু অনুভূতিটা এক। রোজা মানেই সংযম, কৃতজ্ঞতা আর আত্মশুদ্ধির প্রতিচ্ছবি। ভোরের আগে নীরব রান্নাঘরে সেহরির প্রস্তুতি, আর সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে ইফতারের টেবিলে প্রাণের উচ্ছ্বাস, এই দুই সময় যেন রমজানের হৃদস্পন্দন। চলুন ঘুরে দেখা যাক বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সেহরি ও ইফতারের বিচিত্র সব আয়োজন, আর সঙ্গে থাকছে বাংলাদেশের নিজস্ব মেন্যুর বিস্তারিত চিত্র।


তুরস্কে ভূমধ্যসাগরীয় স্বাদে সাদামাটা সেহরি, জমকালো ইফতার


তুর্কিতে সেহরি সাধারণত পুষ্টিকর ও হালকা। টাটকা রুটি, জলপাই, সাদা পনির, টমেটো, সেদ্ধ ডিম, দইয়ের সঙ্গে মধু ও বাদাম- এই সরল আয়োজনেই দিন শুরু হয় সেখানে।


ইফতারে থাকে বিশেষ রমজানের রুটি ‘রামাজান পিদেসি’। খেজুর ও মসুর ডালের স্যুপ দিয়ে শুরু করে এরপর কাবাব, দোলমা (আঙুরপাতায় মোড়ানো পুর), ভাতের নানা পদ দিয়ে পরিবেশন করা হয়। শেষে থাকে সিরাপভেজা বাকলাভা।


সৌদি আরবে সুন্নাহর অনুসরণে ঐতিহ্যের ছোঁয়া


সৌদি আরবে সেহরি শুরু হয় খেজুর ও পানি দিয়ে। অনেক পরিবার হরিস (গম ও মাংসের ধীরপাক রান্না) বা ফুল (শিমজাতীয় খাবার) খায়।


ইফতারে প্রধান আকর্ষণ খাবসা বা মান্দি, মসলা মেশানো ভাতের ওপর মুরগি বা খাসির মাংস। সঙ্গে সমুসা, স্যুপ, সালাদ ও বিভিন্ন ফলের শরবত। খেজুরভর্তি মামুলও জনপ্রিয়।


মরক্কোয় হারিরার উষ্ণতা


মরক্কোর ইফতার মানেই হারিরা। মানে টমেটো, ডাল ও ছোলার ঘন স্যুপ। সেহরি তুলনামূলক হালকা হয়। যেমন রুটি, ডিম, দই, পুদিনা চা, মধু বা জলপাই তেল।


সূর্যাস্তে দুধ ও খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু হয়। এরপর হারিরা, সেদ্ধ ডিম, পনির ও মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হয়।


পাকিস্তানে ভরপুর ও ভাগাভাগির আনন্দ


পাকিস্তানে সেহরি সাধারণত হয় রুটি বা পরোটা, ডিম, দই ও চা দিয়ে। ইফতারে খেজুরের পর ফলের চাট, পাকোড়া, সমুসা, দই বড়া।


গোলাপি শরবত রূহ আফজা রমজানের পরিচিত পানীয়। মূল খাবারে হালিম ও বিরিয়ানি প্রধান।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও