কোনো শিল্পী যদি দলীয় ব্যানারে সুযোগ নিতে চায়, তার ব্যাপারেও সতর্ক থাকা উচিত: ন্যান্‌সি

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯:৫৩

গত দেড় বছরে তথ্য এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাজকর্মে আমি হতাশ। নতুন সরকারের এই দুই বিভাগে থেকে তাই আশাবাদী হতে চাই। প্রকাশ্য রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকলেও কোনো শিল্পীকে একঘরে করার চর্চাটা মোটেও ঠিক নয়। একজন সাধারণ মানুষ যদি রাজনীতির অংশ হন, তাহলে একজন শিল্পী কেন হতে পারবেন না। একজন শিল্পী বিএনপি পছন্দ করবেন, নাকি আওয়ামী লীগ পছন্দ করবেন, নাকি জাতীয় পার্টি—এটা একান্তই তাঁর ব্যাপার। শিল্পীর যোগ্যতা থাকলে তাঁকে সঙ্গে নিয়েই সরকারের পথচলা উচিত। আর কিছু শিল্পী আছেন, সুযোগ পেলেই যাঁরা এর সঙ্গে ওর সঙ্গে ছবি টাঙিয়ে দেন—এ ধরনের যাঁরা, তাঁদের শিল্পী হিসেবে না দেখে অতিথি পাখি হিসেবে দেখা হোক। এঁদের ব্যাপারে সচেতন থাকা উচিত। আর কোনো শিল্পী যদি দলীয় ব্যানারে সুযোগ নিতে চান, তাঁর ব্যাপারেও সতর্ক থাকা উচিত। শিল্পীকে তাঁর শিল্পকর্ম দিয়ে মূল্যায়ন করা উচিত।


বিটিভিতে তেমন একটা যাই না। কিন্তু গত দেড় বছরে অন্যরকম অভিজ্ঞতা হয়েছে। সরকারের কাছে অনুরোধ করব, রাজনৈতিক পরিচয় যেন এখানে প্রাধান্য না পায়। বিটিভি ও বেতার যেন সব প্রকৃত শিল্পীর আঁতুড়ঘর হয়।


বাংলা সংস্কৃতির বাইরে বাংলা না। সংস্কৃতি ঠিক না থাকলে তো আর বাংলা হয় না। বাংলাদেশের মানুষ সংস্কৃতিকে আগলে রাখতে চায়, এটা ভোটের মাধ্যমেই দেখিয়ে দিয়েছে। আমি বলব না, বিএনপিকে জিতিয়ে মানুষ দেখিয়েছে; বলব যে জামায়াতকে হারিয়ে তা মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে।


জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে বলব, গতবার আমি বিচারক হিসেবে কাজ করেছি। নির্দিষ্ট সময়ে ফলাফল জমা দিয়েছি। এরপরও যখন এত দেরি করে প্রজ্ঞাপন দেওয়া হয়, তখন সবার মনে প্রশ্ন জাগে, কোনো কারচুপি হচ্ছে কি না। ফলাফল যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে দিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে আমরা কিন্তু জবাবদিহির মধ্যে থাকি, পুরস্কারের স্বচ্ছতাও থাকে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও