ভোটের ডামাডোলে চাপা বন্দর রক্ষা

www.ajkerpatrika.com আজাদুর রহমান চন্দন প্রকাশিত: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫১

‘কথায় রাজা উজির মারা’র বাংলাদেশ কথামালার রাজনীতিচর্চার এক অতি উর্বর ক্ষেত্র। এ দেশে ওয়াদা বা প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবায়নের মধ্যে কত যে বিস্তর ব্যবধান থাকে, সে নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না পারতপক্ষে। বেশির ভাগ রাজনীতিবিদ যেমন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার সময় সেটি আদৌ বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা ভেবে দেখার তাগিদ বোধ করেন না; তেমনি অনেক সাধারণ মানুষও নেতাদের মুখে সুন্দর সুন্দর প্রতিশ্রুতির কথা শুনতে ভালোবাসেন। সেই সুবাদে ক্ষমতাপ্রত্যাশী রাজনীতিকেরা ভাষণে দুধের সাগর, মধুর নহর বইয়ে দিতে পিছপা হন না। বিভিন্ন দলের নির্বাচনী ইশতেহারও এর ব্যতিক্রম নয়। যে কর্তৃত্ববাদী সরকারকে চব্বিশে জনতা উৎখাত করল, তার নির্বাচনী ইশতেহারগুলোও কি কিছু কম আকর্ষণীয় ছিল? আপামর জনগণ নির্বাচনী ইশতেহারের ভালো-মন্দ কিংবা বাস্তবায়নযোগ্যতা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ না করলেও সংবাদমাধ্যমে তো কমবেশি আলোকপাত করা হয়েই থাকে।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একেবারেই দোরগোড়ায়। এ উপলক্ষে ৬ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি। দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বড় রকমের কারসাজি বা পক্ষপাতিত্ব না হলে দলটি এবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে অনায়াসে। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের প্রতিটি পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’, কৃষক ও খামারিদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু, রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার, বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জন, ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার, অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন, ‘ফ্যাসিস্ট আমলে’ মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের আশ্বাস এবং বিগত সময়ে নিজেদের ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুসহ সামাজিক নিরাপত্তার সুবিধা ও পেনশন বাড়ানো; বেকার ভাতা ও রেশন চালু; এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি; শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের সম্প্রসারণসহ আর্থসামাজিক সব খাত নিয়ে দলটি যে পরিকল্পনা হাজির করেছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ব্যাপক অর্থের প্রয়োজন। সেই অর্থের সংস্থান করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও