বাউফলে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে অর্ধশত আহত, হাসপাতালে ভর্তি ২৫ জন

প্রথম আলো বাউফল প্রকাশিত: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১:৩৮

পটুয়াখালী–২ আসনে (বাউফল) উপজেলার নদীবেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে জামায়াতের প্রার্থীর মিছিলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের অতর্কিত হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। রোববার দুপুরের এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও ধাওয়ায় উভয় পক্ষের আরও ১০ জন আহত হন।


আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশির ভাগই জামায়াতের। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আনিচুর রহমান (৫৫) ও সেক্রেটারি মো. আমিনুল। ২৫ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত মোসা. লিয়া জাহান (২৫), জামাল মৃধা (২২), দেলোয়ার হোসেন গাজীকে (৪৫) প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে দেলোয়ার হোসেন ছাড়া বাকি দুজন জামায়াতের কর্মী।


আসনটিতে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম (মাসুদ), বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদার। আসনটিতে মোট পাঁচজন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যেই হবে বলে অনুমান স্থানীয় ব্যক্তিদের।


একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শফিকুল ইসলামের কর্মী-সমর্থকেরা আজ সকাল ১০টার দিকে মিছিল নিয়ে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরওয়াডেল খানকা এলাকা থেকে বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ফিরছিলেন। বেলা একটার দিকে ভান্ডারি বাজার এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আনোয়ার হাওলাদার ও শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কালাম হাওলাদারের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জনের একটি দল দেশি অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয়। এতে তাঁদের মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় কমপক্ষে ৪০ ব্যক্তি আহত হন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও