ছাত্র প্রতিনিধিরা না গেলে অন্তর্বর্তী সরকারের টিকে থাকা কষ্ট হতো
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রধান মুখ নাহিদ ইসলাম। অভ্যুত্থানের পর তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হয়েছিলেন। বর্তমানে এনসিপির আহ্বায়কের পাশাপাশি জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের দায়িত্ব পালন করছেন। ৫ আগস্ট সরকার পতন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ সে সময়ের নানা বিষয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আসিফ হাওলাদার।
প্রথম আলো: কোটা সংস্কারের দাবি থেকে সরকার পতনের এক দফা। কখন প্রথম মনে হলো, এটা আর কোটা সংস্কারের আন্দোলন নেই?
নাহিদ ইসলাম: যেদিন রংপুরে আবু সাঈদ শহীদ হলেন, সেদিন (১৬ জুলাই, ২০২৪) আমাদের কাছে মনে হয়েছিল এই আন্দোলন আর কোটা সংস্কারের আন্দোলন নেই। সেদিনই আন্দোলনের মোড় বদলে গিয়েছিল।
প্রথম আলো: আন্দোলনের এক পর্যায়ে আপনাদের ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে জোর করে আন্দোলন প্রত্যাহারের বিবৃতি পাঠ করানো হয়। সেই অভিজ্ঞতা আপনার ভাষ্যে শুনতে চাই।
নাহিদ ইসলাম: ডিবি কার্যালয়ে থাকা অবস্থায় একটা পর্যায়ে আমরা পরিকল্পনা করেছিলাম, সেখান থেকে যেকোনো মূল্যে বের হতে হবে। সব নেতাকে একে একে গ্রেপ্তার করা হলে আন্দোলন মুখ থুবড়ে পড়বে। একটা পর্যায়ে আমরা আন্দোলন স্টপ (বন্ধ) করতে রাজি হই। আমাদের চিন্তা ছিল আমরা যদি বের হতে পারি, তখন নিজেদের মতো করে স্টেটমেন্ট (বক্তব্য) দেব। কাজটা আমরা এর আগেও কয়েকবার করেছি।
তারা (ডিবি কর্মকর্তা) তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে (আসাদুজ্জামান খান) দেখানোর কথা বলে আমাদের কাছ থেকে একটা ভিডিও স্টেটমেন্ট নেয়। এটা যে গণমাধ্যম বা সারা দেশে যাবে, এ বিষয়ে আমাদের আইডিয়া (ধারণা) ছিল না। এভাবে একটা ফাঁদ তৈরি করে তারা আমাদের কাছ থেকে ওই স্টেটমেন্ট নিয়েছিল।
- ট্যাগ:
- রাজনীতি
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান
- নাহিদ ইসলাম