মাইগ্রেইন নিয়ন্ত্রণে প্রকৃতির সহায়তা
‘মাইগ্রেইন’কে অনেকে আধ কপালি ব্যথা হিসেবে চিহ্নিত করেন। কারণ বেশিরভাগ সময় মাথার একপাশে ব্যথা শুরু হয়। তবে কারও কারও পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে এই ব্যথা।
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসিডেন্ট চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়ন এই বিষয়ে বলেন, “সব মাথাব্যথাই মাইগ্রেইন নয়। দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার বা অন্য কোনো সমস্যার কারণেও এমন ব্যথা হতে পারে।”
মাইগ্রেইন এক ধরনের ‘প্রাইমারি হেডেক’, যা নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
“মাইগ্রেইন হওয়ার কারণ হল মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হওয়া এবং ধমনি স্ফীত হয়ে ব্যথা সৃষ্টি করে। ব্যথার সঙ্গে বমি বমি-ভাব, দৃষ্টিবিভ্রম, আলো-শব্দে অস্বস্তি দেখা দেয়”- ব্যাখ্যা করেন এই চিকিৎসক।
এর কারণ পুরোপুরি জানা না গেলেও বংশগত প্রবণতা, মানসিক চাপ, ঋতুস্রাব, চকলেট, পনির, কফি, অনিদ্রা, অতিরিক্ত কম্পিউটার ব্যবহার বা উজ্জ্বল আলো এটিকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
ব্যথা কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- ট্যাগ:
- স্বাস্থ্য
- মাইগ্রেনের ব্যথা