বিদায়বেলায়ও ‘বিতর্কিত’ সিদ্ধান্ত প্রশাসনে

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৫

দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় দেড় বছর হয়ে গেছে অন্তর্বর্তী সরকারের। এ সময়ে নানান সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন প্রশাসন। এর মধ্যে অনেক সিদ্ধান্তই ছিল আলোচিত-সমালোচিত। মেয়াদের শেষ সময়ে এসেও সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত আছে। বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত।


আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। সেই হিসাবে এ সরকারের হাতে সময় আছে আর ১৫ দিনের মতো। এ মাসেই দেশের আট উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বদলি করা হয়। বদলির দুদিন পরই আবার বাতিলও করা হয় সে আদেশ। শেষ সময়ে এসে এ সিদ্ধান্তটি সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।


এছাড়া অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির তোড়জোড় চলছে। কারও কারও কাছে এটি রুটিন কাজ হলেও ভোটের এত কাছাকাছি এসেও এত বড় পদোন্নতির বিষয়টি ভালো চোখে দেখছেন না অনেকে। কোনো কোনো সাবেক আমলা বলছেন, পুরো সময়েই বর্তমান প্রশাসন নিজেদের অদক্ষতার প্রমাণ রেখেছে। পদোন্নতির ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বিধি-নিষেধ না থাকলেও অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো পরিস্থিতি এড়াতে সরকারের উচিত এ মুহূর্তে এ ধরনের সিদ্ধান্ত না নেওয়া। নির্বাচনটা কীভাবে নির্বিঘ্নে উতরে যেতে পারে, সেদিকে তাদের মনোযোগী থাকা উচিত।


২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে থাকা গত সরকারের আস্থাভাজন কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়। কাউকে কাউকে চাকরি থেকে বিদায় করে দেওয়া হয়, কেউ কেউ হয়েছেন বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি)।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও