আমলার স্ত্রীর জন্মদিনের কবিতা ও রাষ্ট্রের বুদ্ধিবৃত্তিক অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া

বিডি নিউজ ২৪ চারু হক প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪০

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র যখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছিল, তখন সেটাকে কেউ অতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখত না। আর এটাই ছিল তার সবচেয়ে বড় শক্তি। রাষ্ট্র-ক্ষমতার এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা এই প্রতিষ্ঠান তখন দেশজুড়ে গ্রন্থসুহৃদ সমিতি গড়ে তুলেছিল। পাঠক তৈরির মধ্য দিয়ে বইপড়ার একটা নাগরিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রয়াস ছিল তার। আর, এইসব ঘটেছে পত্রিকাগুলোর বন্ধুসভা গড়ে তোলার অনেক আগে। এমনকি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আগে এই গ্রন্থকেন্দ্র দেশজুড়ে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিও করেছিল।


এরপর রাষ্ট্র একদিন ঠিক করল, এইসব কাজে আসলে শিক্ষার চাইতে সংস্কৃতির সম্পৃক্ততা বেশি। যুক্তি হিসেবে মন্দ না যদিও। জ্ঞান, মনন, সাহিত্য, পাঠাভ্যাস—এসব তো সংস্কৃতিরই অংশ। কিন্তু সমস্যাটা তৈরি হয় মন্ত্রণালয় কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকাকালে গ্রন্থকেন্দ্রকে দেখা হতো একটি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রকল্প হিসেবে, যার কাজ পাঠক তৈরি করা, গ্রন্থাগার ছড়ানো, লেখক-পাঠক-প্রকাশকের মধ্যে একটা জীবন্ত সম্পর্ক গড়ে তোলা। কিন্তু সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে যাওয়ার পর বই ধীরে ধীরে পরিণত হলো অনুষ্ঠান, অনুদান আর প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতার প্রান্তিক উপকরণে। এই বদলের সঙ্গে সঙ্গে গ্রন্থকেন্দ্রও ঢুকে পড়ল দেশের পরিচিত রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক বাস্তবতার ভেতরে, যেখানে বইয়ের চেয়ে ফাইল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় গ্রন্থাগারের কাছে গ্রন্থ তখন আর মননচর্চার অবকাঠামো না থেকে হয়ে উঠল প্রশাসনিক সংস্কৃতির একটি অনুষঙ্গ, যেখানে বইয়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াল কে লিখেছে, কার সুপারিশ আছে, আর কোন কোটা থেকে কত কপি যাবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও