You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বয়স ৫০ ছাড়ালে ক্লান্তি দূর করার উপায়

বয়স ৫০ পেরোলেই শরীরে নানান পরিবর্তন দেখা দেয়। ‘মেটাবলিজম’ বা খাবার থেকে শক্তি আহরণের গতি কমে যায় প্রায় ৩০ শতাংশ।

হজমপ্রক্রিয়া ধীর হয়, পেশি কমে এবং ক্লান্তি বাড়ে। তবে এতে মন খারাপ করার কিছু নেই। সঠিক খাবার ও অভ্যাসে আরও ২০-৩০ বছর সক্রিয় ও কর্মঠ থাকা সম্ভব।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসিডেন্ট চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়ন এ বিষয়ে বলেন, “গবেষণায় দেখা গেছে, পঞ্চাশের পর শরীরের পুনরুদ্ধার ক্ষমতা কমে যায়। কার্বোহাইড্রেইট হজমে সমস্যা হয়, ইনসুলিনের মাত্রা অস্থির হয়ে মাথা ঝিমঝিম বা তন্দ্রাভাব আসে।”

পুরানো খাবারের অভ্যাস, যেমন- বেশি তেল-মসলা বা মিষ্টি—শরীরের বিরুদ্ধে কাজ করে। তাই খাদ্যাভ্যাস বদলানো জরুরি।

যেসব অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে

একবারে বেশি খাওয়া হজমে চাপ ফেলে, শরীরকে ক্লান্ত করে। তেল-মসলাযুক্ত ফাস্ট ফুড, ভাজাপোড়া বা চর্বিযুক্ত খাবার শরীর ভারী করে।

চিনি, মিষ্টি, সোডা বা প্রক্রিয়াজাত খাবার (সাদা পাউরুটি, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস) রক্তে শর্করা হঠাৎ বাড়িয়ে পরে ক্লান্তি আনে।

“অতিরিক্ত চা-কফি পানে, ক্যাফিনের কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়, দিনে শক্তি কমায়। কোমল পানীয় বা মিষ্টি জুস পানিশূন্যতা উল্টো বাড়িয়ে দেয় ফলে দুর্বল লাগে”- বলেন ডা. নয়ন।

শক্তি বাড়াতে ভালো অভ্যাস

এই চিকিৎসক পরামর্শ দেন, “দিনে তিন বেলার বদলে পাঁচ-ছয় বার অল্প অল্প খান। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থির থাকে, শক্তি বজায় রাখে। সকালের নাশতা বাধ্যতামূলক। পেট খালি রাখলে মেটাবলিজম আরও কমে।”

বিকেলে বাদাম, ফল, টক দই, সবজি সালাদ বা সেদ্ধ ডিম খান। রাতে তাড়াতাড়ি খেয়ে নিন, যাতে শরীর পুনরুদ্ধারের সময় পায়।

পুষ্টিকর খাবারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শাকসবজি, ফলমূল, ডিম, মাছ-মাংস, ডাল ও গোটা শস্য (বাদামি চাল, ওটস) হজমশক্তি ভালো রাখে এবং শর্করার ওঠানামা কমায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন