মেয়ে হত্যার বিচার না দেখে মরেও শান্তি পাবো না: ফেলানীর বাবা

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩:৩০

‘১৫ বছর হয়ে গে‌লো তবুও আমার মে‌য়ে ফেলানী হত্যার বিচার পাইলাম না। এখনো দেশের বিভিন্ন সীমান্তে পাখির মতো মানুষ মারা হচ্ছে। আমি যেমন আমার মেয়েকে হারিয়ে চোখের পানি ফেলছি, আর কোনো বাবা-মায়ের কলিজার টুকরা যেন ঝরে না যায়।’


কথাগু‌লো ব‌লেছি‌লেন, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে বাবার সঙ্গে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় বিএসএফের গুলিতে নিহত হওয়া কিশোরী ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম।


২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নিহত হয় কিশোরী ফেলানী খাতুন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর কয়েক ঘণ্টা তার মরদেহ কাঁটাতারে ঝুলে থাকার দৃশ্য দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।


হত্যার ১৪ বছর পার হলেও এখনো বিচার পায়নি তার পরিবার। ভারতের উচ্চ আদালতে মামলা ঝুলে থাকায় দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় আছেন ফেলানীর মা-বাবা।


ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম আরও বলেন, ফেলানী হত্যার বিচার এখনো ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে আছে। তার ভাষ্য, ‘ফেলানী হত্যার সঠিক বিচার হলে আর কোনো বিএসএফ সীমান্তে গুলি করার সাহস পাবে না। এখন আমার বয়স হয়ে গেছে। দেশে নির্বাচনে যে সরকারই আসুক, আমি ফেলানী হত্যার বিচারটা আগে দেখতে চাই। আমি বাঁইচা থাকতে ফেলানী হত্যার বিচার দেখতে চাই। মেয়ে হত্যার বিচার না দেখে মরেও শান্তি পাবো না।’


নুর ইসলাম জানান, অভাবের সংসারে পরিবারসহ ভারতে কাজের সন্ধানে গিয়েছিলেন তিনি। মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে দালালের মাধ্যমে দেশে ফেরার সময় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। তিনি বলেন, ‘আমার চোখের সামনে বিএসএফ সদস্য অমীয় ঘোষ আমার মেয়েকে হত্যা করে। আমি মেয়ের লাশ কাঁটাতারের ওপর ফেলে রেখেই পালিয়ে আসি। এরপর পাঁচ ঘণ্টা আমার মেয়ের লাশ কাঁটাতারে ঝুলে ছিল।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও