উত্তরের ৪ জেলায় উর্বর মাটি সাবাড় করছে ৫৯৫ ইটভাটা

ডেইলি স্টার রংপুর বিভাগ প্রকাশিত: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:০৫

রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় অবাধে কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপ সয়েল) কেটে ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। এতে জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হয়ে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।



কৃষিবিদদের মতে ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি হলো মাটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর। জমির এই অংশের মাটিতে জৈব উপাদানের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। এই মাটি একবার তুলে নিলে জমিতে উর্বরতা ফিরে আসতে ১০ বছরেরও বেশি সময় লাগে।


পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও রংপুর জেলার অন্তত ৫৯৫টি ইটভাটায় ইট তৈরির জন্য ফসলি জমির উর্বর মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে।


কৃষিজমির উর্বর মাটি ব্যবহার করে ইট তৈরির দায়ে গত এক সপ্তাহে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও রংপুর জেলায় ১২টি ইটভাটাকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও উলিপুর, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ এবং রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় প্রশাসনের বারবার অভিযান চালালেও ইটভাটায় উর্বর মাটি সরবরাহ বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না।


কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার একটি ইটভাটায় টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করেন জামাল উদ্দিন। তিনি জানান, একটি ইট তৈরি করতে প্রায় পাঁচ কেজির মতো মাটি লাগে। ইট তৈরি করতে টপ সয়েল সবচেয়ে ভালো। বছরে একটি ইটভাটায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ইট উৎপাদন করা হয়। এর জন্য বিপুল পরিমাণ কৃষিজমির মাটির প্রয়োজন হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও