শাবনূরকে দেখেই নায়িকা হতে চেয়েছি: তমা মির্জা

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৩১

'নদীজন' সিনেমায় অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন চিত্রনায়িকা তমা মির্জা। ক্যারিয়ারে বাণিজ্যিক সিনেমার পাশাপাশি ভিন্ন ধারার গল্পপ্রধান কাজও করেছেন। ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেও দারুণ সাড়া পেয়েছেন। আফরান নিশোর সঙ্গে জুটি বেঁধে পেয়েছেন সফলতা।


গত বছর তার অভিনীত 'দাগি' সিনেমা এবং 'আমলনামা' ওয়েব ফিল্ম দর্শকরা সাদরে গ্রহণ করেছেন। নতুন বছরে দুটি নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি। দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে আলাপচারিতায় এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।


নতুন বছরে নিশ্চয়ই নতুন সিনেমার খবর দেবেন?


তমা মির্জা: নতুন দুটি সিনেমার খবর দিতে পারব। সব কথা চূড়ান্ত হয়েছে। তবে এখনই বিস্তারিত বলতে চাই না। শুটিং শুরুর আগে সব খবর দেব। তখন পরিচালক কিংবা সহশিল্পীর নামও জানা যাবে। এটুকু বলতে পারি, আগামী মাসে একটি সিনেমার শুটিং শুরু হবে। নতুন চুক্তিবদ্ধ দুটি সিনেমা ছাড়াও আরও কিছু কাজ নিয়ে কথা হচ্ছে।


নতুন দুটি সিনেমায় আমাকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে। গল্পগুলোও ভিন্ন। সব সময় চেষ্টা করি ভিন্নধর্মী কাজের সঙ্গে থাকতে। গ্ল্যামারাস নয়, আমাকে সাধারণত মধ্যবিত্ত চরিত্রেই বেশি দেখা যায়। নতুন বছরের নতুন সিনেমাতেও দর্শক আমাকে নতুনভাবে পাবেন।


এমন কোনো নায়িকা আছেন কি, যার অভিনয় দেখে আপনি নায়িকা হতে চেয়েছেন?


তমা মির্জা: ঢাকাই সিনেমায় কয়েক দশকে অনেক নায়িকা এসেছেন। শাবানা আপা, কবরী আপা, ববিতা আপা—তারা তো কিংবদন্তি। শাবনূর ও মৌসুমী আপা আমাদের সময়ের নায়িকা। দুজনই আমার অনেক প্রিয়। তবে শাবনূরের সিনেমা দেখেই নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। তার 'আনন্দ অশ্রু', 'চার সতীনের ঘর', 'মোল্লাবাড়ির বউ', 'কে অপরাধী'—আমার অনেক ভালো লাগার সিনেমা।


নায়িকা হওয়ার জন্য পরিবার থেকে কতটা সমর্থন পেয়েছেন?


তমা মির্জা: সমর্থন পেয়েছি। সত্যি বলতে, শুরুতে পরিবার থেকে বলা হয়েছিল একটিমাত্র সিনেমা করতে। আমিও ভেবেছিলাম, একটা সিনেমা করে দেখি। সেভাবেই জীবনের প্রথম সিনেমায় অভিনয় করি। এরপর মনে হলো, আরও একটা সিনেমা করি যেখানে নিজেকে আরও ভালোভাবে উপস্থাপন করা যাবে, মনের মতো কিছু হবে। মূলত একটি ভালো সিনেমার আশায় কাজ চালিয়ে যেতে থাকি। এখনো একটি ভালো সিনেমার অপেক্ষায় আছি। যখন যে কাজটি করি, মনে হয় আরও ভালো করতে হবে। এভাবেই রুপালি পর্দায় বেশ কয়েক বছর কেটে গেছে। তবে এখানে এসে অনেক মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও