You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বিপ্লবের মন্ত্রে উঠে দাঁড়াও হাদি

গুলির শব্দ কখনো শুধু একটি শরীরকে বিদ্ধ করে না-তা বিদ্ধ করে একটি প্রজন্মের স্বপ্নকে, একটি আন্দোলনের আশাকে, একটি দেশের বিবেককে। শুক্রবার ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র, জুলাই বিপ্লবের অন্যতম সেনানায়ক শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। হাসপাতালের শয্যায় নিশ্বাসের ওঠানামার সঙ্গে সঙ্গে কেঁপে উঠছে একটি জাতির হৃদয়। সারা দেশ আজ নীরব প্রার্থনায় দাঁড়িয়ে : হে আল্লাহ, আমাদের হাদিকে ফিরিয়ে দাও। সদা হাস্যোজ্জ্বল প্রাণবন্ত হাদি তোমার অপেক্ষায় সবাই। চেয়ে দেখ তোমার শত-সহস্র লাখো সঙ্গী-সাথী মাঠে নেমে পড়েছে। তাদের চোখে প্রতিবাদের আগুন-ঘাতকের শাস্তি চাই। কঠোর শাস্তি।

ওসমান হাদি কোনো সাধারণ নাম নয়-বিপ্লবের আগুন। তিনি একটি উচ্চারণ-অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিবাদের মুখোমুখি দাঁড়ানোর, মাথা উঁচু করে সত্য বলার উচ্চারণ। জুলাই বিপ্লবের উত্তাল দিনগুলোতে যখন ভয় মানুষকে গ্রাস করছিল, তখন ওসমান হাদি ছিলেন সাহসের প্রতিচ্ছবি। মাইকের সামনে তার কণ্ঠ কাঁপেনি, চোখে ছিল না দ্বিধা। তিনি জানতেন, সত্য বলার মূল্য আছে, কিন্তু নীরব থাকার মূল্য আরও বেশি।

ইনকিলাব মঞ্চকে যারা শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম মনে করে, তারা ওসমান হাদিকে বোঝেনি। এ মঞ্চ ছিল নিপীড়িত মানুষের আশ্রয়, ক্ষুব্ধ তরুণদের কণ্ঠস্বর, আর ওসমান ছিলেন সেই কণ্ঠের ভাষ্যকার। তার শব্দগুলো আগুনের মতো ছিল, কিন্তু সে আগুন পোড়ানোর জন্য নয়, অন্ধকারকে আলোকিত করার জন্য। তিনি বারবার বলেছেন, ‘ভয় পেলে চলবে না, ইতিহাস ভীরুদের ক্ষমা করে না।’ আজ সেই মানুষটিই রক্তাক্ত, নিস্তব্ধ; আর ইতিহাস যেন থমকে আছে তার শয্যার পাশে।

গুলিবিদ্ধ দেহে যন্ত্রণার ক্ষত যত গভীরই হোক, ওসমান হাদির আদর্শ অক্ষত। তার রক্ত মাটিতে পড়ে থাকলেও তা বৃথা যাবে না-এ বিশ্বাস আজ লাখো মানুষের চোখে, মুখে, হৃদয়ে। মায়েরা দোয়া করছেন সন্তানের জন্য, তরুণরা অশ্রু সংবরণ করে শপথ নিচ্ছে-ওসমানের পথ ছেড়ে যাবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে সারা দেশের শিক্ষাঙ্গন, রাজপথ, অলিগলিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে জুলাই বিপ্লবের সহযোদ্ধারা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে তারা। কারণ, তিনি শিখিয়েছেন বিপ্লব মানে নৈতিক দৃঢ়তা, অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন