কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া দ্বীপে একের পর এক চলছে রিসোর্ট নির্মাণ। এতে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে বনভূমি ও বন্যপ্রাণী।
পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলে ইতোমধ্যে কয়েকটি রিসোর্ট নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও তিন-চারটি নির্মাণ কাজ চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঝাউবন কেটেই এসব রিসোর্ট নির্মাণ করা হয়েছে।
কক্সবাজার শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরের এই দ্বীপে প্রায় নয় হাজার একর উপকূলীয় ও প্যারাবন (ম্যানগ্রোভ) রয়েছে। চিংড়িঘের সম্প্রসারণে বনের জমি দ্রুত দখল হয়ে যাচ্ছে, পাশাপাশি রয়েছে দূষণ—তবে এসব বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেই।
এই বন ধ্বংস হয়ে গেলে দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের গুরুতর হুমকির মুখে পড়বে, বলছেন পরিবেশবাদীরা সংগঠকরা। তাদের মতে, 'উপকূলীয় এই বন এলাকা পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল।'
স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তি সৈকতের কাছে সরকারি জমি দখল করে বন উজাড় করে রিসোর্ট নির্মাণ করছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে, যদিও অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।