You have reached your daily news limit

Please log in to continue


দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র বিনির্মাণ হবে শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন

পতিত স্বৈরাচার দাঁড়িয়ে ছিল দানবীয় সর্বগ্রাসী দুর্নীতির অবাধ চর্চার ওপর। বিগত সরকারের সঙ্গে যাদের (রাজনীতিবিদ ও সরকারি চাকরিজীবী) সম্পর্ক ছিল, তারা সব আইনের ঊর্ধ্বে উঠে প্রায় সবাই ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মহানায়কে পরিণত হয়েছিলেন। দুর্নীতি স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া ক্যান্সার। রাষ্ট্রকে দুর্নীতিমুক্ত করতে না পারলে জনগণ ও গর্বিত জাতি স্বৈরাচারের দুর্নীতির কলঙ্ক থেকে মুক্তি পাবে না।

বর্তমানে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় পার করছে। বিবিধ দুর্নীতির করালগ্রাসে ক্ষত-বিক্ষত এ জাতি সর্বাত্মক দুর্নীতিগ্রস্ত দুঃশাসন পেরিয়ে সবার জন্য ঐক্য, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের অভিন্ন আকাঙ্ক্ষায় উত্তরণের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিদায় নিয়েছে স্বৈরাচারী দুঃশাসক। একটি বৈষম্যহীন দেশ ও জাতি গঠনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মানুষ স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করেছে। ক্ষমতাচ্যুত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল এ দেশের সর্বস্তরের জনগণের ওপর দীর্ঘকাল ধরে চলমান নিপীড়ন, সব ধরনের বৈষম্য ও প্রতারণামূলক চক্রান্ত দূর করা। একটি ন্যায়নিষ্ঠ, বৈষম্যহীন, কল্যাণকামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এ কাজ মোটেও সহজ নয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন