You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সরকার সুবোধ বালকের অভিনয় করছে

গত ২৪ মে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য নতুন ‘ভিসা নীতি’ ঘোষণা করেছে। ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনে উৎসাহ জোগাতে’ এই ঘোষণার পর দেশের রাজনীতিতে নানামুখী প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং বিরোধী দল বিএনপি ভিসা নীতি নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি নিয়ে সমকাল কথা বলেছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সমকালের সহ-সম্পাদক এহ্‌সান মাহমুদ।

সমকাল: বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচনের স্বার্থে সম্প্রতি নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন ভিসা নীতিকে কীভাবে দেখছেন?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: প্রথমেই যেটি বলতে চাই, এমন একটি ভিসা নীতি বাংলাদেশের জন্য এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য লজ্জার। এমন ভিসা নীতি আর কোনো রাষ্ট্রের জন্য কি দেওয়া হয়েছে? যদি আমরা দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর দিকে তাকাই– ভারত, ভুটান, শ্রীলঙ্কা এমনকি পাকিস্তানের জন্যও তো এমন ভিসা নীতি দেওয়া হয়নি। দেখতে হবে, বাংলাদেশকে কোন প্রেক্ষাপটে নতুন ভিসা নীতি দেওয়া হয়েছে। আমেরিকার ভিসা নীতির মূলে রয়েছে ভোটাধিকার এবং গণতন্ত্র। এখানে গণতন্ত্র অনুপস্থিত। নির্বাচন ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। নির্বাচনকে এখানে একটি প্রকল্প বানিয়ে রাখা হয়েছে। ক্ষমতাসীন রাজনীতিবিদ, নির্বাচনী কর্মকর্তা, আমলা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে একটি নির্বাচনী প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে। ভিসা নীতির বক্তব্য বা বার্তা খুবই স্পষ্ট। এখানে বাকস্বাধীনতা নেই, জীবনের নিরাপত্তা নেই; সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই। এখানে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন করা হয়েছে ভিন্নমত ও দলকে নিয়ন্ত্রণ করতে। এখানে ভোটকে নিয়ন্ত্রিত রাখতে যারা জড়িত, তাদের ব্যাপারেই এই ভিসা নীতি কাজ করবে। এ দেশে কারা নাগরিক সমাজকে ভয় দেখাতে চায়; কারা বিরোধী দলের সভা-সমাবেশে বাধা দিচ্ছে, তা সবাই জানে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন