You have reached your daily news limit

Please log in to continue


শিক্ষকরা কি কিছু শেখাতে পারেন!

সক্রেটিস বলেছিলেন শিক্ষক আসলে তাঁর শিক্ষার্থীকে কিছু শেখাতে পারেন না। কারণ শিক্ষার্থী সব আগে থেকেই জানে। সে শুধু জানে না যে সে জানে। শিক্ষকের কাজ হচ্ছে সে যে আসলে জানে, সেটা তাকে  জানিয়ে দেওয়া।

জানা যে বিষয় শিক্ষার্থীর নিজের কাছেই অজানা বলে ভ্রম হয়, সেই ভ্রম ভাঙানোই শিক্ষকের মূল কাজ। তাঁকে শুধু এমন একটা পরিবেশ বা প্রক্রিয়া তৈরি করে দিতে হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই তাদের ভেতরে থাকা বিষয়গুলো বের করে আনতে পারে। এর চেয়ে বেশি কিছু করতে গেলে শিক্ষকের শ্রম তো পণ্ড হয়ই, শিক্ষার্থীর শেখার পথও দীর্ঘ ও দুর্গম হয়ে ওঠে।

সক্রেটিস এথেনীয়দেরকে এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেন। এথেন্সের হাটবাজারে লোকজনের পথ আটকে খুব সাধারণ প্রশ্ন করতেন, ‘করুণা কী’, ‘সাহস কী’ ইত্যাদি। উত্তরদাতারা উত্তর দিলে তিনি পাল্টা উত্তর দিতেন। যেমন—‘ন্যায়ধর্ম কী?’ এই প্রশ্নের উত্তরে সেফালোস নামের একজন ব্যবসায়ী যখন বললেন ন্যায়ধর্ম হচ্ছে সত্যি কথা বলা এবং ঋণ পরিশোধ করে দেওয়া, তখন সক্রেটিস এর বিপরীত উদাহরণ দিলেন। বললেন, ধরো, তুমি একজন বন্ধুর কাছ থেকে একটা অস্ত্র ধার নিলে, তারপর ফেরত দেওয়ার সময় দেখলে যে সে অপ্রকৃতিস্থ হয়ে গেছে, তাহলে সেই অবস্থায় তাকে অস্ত্র ফেরত দেওয়াটা কি ঠিক হবে? সেফালোস হার মানলেন। কিন্তু যুক্তি-পাল্টাযুক্তি কিংবা উদাহরণ-পাল্টা উদাহরণ চলতে থাকল। এভাবে একসময় পুরনো ধারণা বদলে গিয়ে নতুন সংজ্ঞা তৈরি হলো। অর্থাৎ সক্রেটিস সেফালোসের ওপর তাঁর নিজের ধারণা চাপিয়ে দিলেন না। কিন্তু তাকে এমন একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিয়ে গেলেন, যাতে সে নিজের চেষ্টায়ই একটা যুক্তিসংগত সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন