You have reached your daily news limit

Please log in to continue


তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার আর চিন্তার পরাধীনতা

কম বয়সী থেকে প্রবীণ অনেক মানুষ তাকিয়ে আছেন তাঁদের মোবাইল ফোনের স্ট্ক্রিনের দিকে- ইদানীং আমাদের দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন দৃশ্য হয়ে উঠেছে খুব পরিচিত। এ দৃশ্য দেখা যায় কোনো সেমিনার চলাকালে মঞ্চ, বাসের ভেতর, বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডোর বা চায়ের দোকানের সামনের বেঞ্চে। নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার ফাঁকে ইদানীং কম বয়সী শ্রমিক কাজের ফাঁকে মগ্ন হয়ে তাকিয়ে থাকে মোবাইল ফোনের স্ট্ক্রিনের দিকে। ছায়ায় রিকশা রেখে কিছুক্ষণ জিরিয়ে নেওয়ার সময় রিকশাচালকের দৃষ্টিও থাকে মোবাইল ফোনের দিকে।

কিন্তু আমাদের দেশের পথে আমরা কি দেখতে পাই- বাস বা প্রাইভেটকারে যাতায়াতের সময় কিংবা পার্কে বা অন্য কোথাও বিশ্রাম নেওয়ার সময় অনেকে বই বা সংবাদপত্র পড়ছে? বর্তমান সময়ে টেলিভিশন চ্যানেল বা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে যেসব নাটক প্রচারিত হচ্ছে এবং দেশের সাম্প্রতিক চলচ্চিত্রগুলোতেও মূল চরিত্রদের বই বা সংবাদপত্র পড়তে দেখা যায় না। বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ যে আজ ভোগবাদী সমাজের একটি উপকরণ নিয়ে এমন মেতে উঠেছে; তা মনে করিয়ে দেয় সমাজতাত্ত্বিক হার্বার্ট মার্কিউজের সেই কথাটি- বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের রুচি পুঁজিবাদী সমাজে একই রকম করে ফেলা হয়েছে। ভোগবাদী সমাজ নিজের ব্যবসায়িক প্রয়োজনে মানুষকে যে অভ্যাসে বুঁদ করে রাখতে চায়; শুধু অল্প শিক্ষিত বা অশিক্ষিত মানুষই নয়; সব শ্রেণির মানুষের মধ্যেই তৈরি করা হয় সে অভ্যাস।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন