You have reached your daily news limit

Please log in to continue


অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বন্ধে ‘প্রকল্প’ চাই

পুকুরচুরি কথাটার ব্যুৎপত্তি যা–ই হোক, এ বিষয়ে একটা কৌতুক আছে। এক এলাকায় প্রকল্প প্রস্তুত হলো, খাল কাটা হবে। অর্থ বরাদ্দ হলো। ঠিকাদার এবং রুই–কাতলারা মিলে পুরো টাকাটা আত্মসাৎ করলেন। এরপর পরিদর্শক আসছেন খাল পরিদর্শন করতে। তখন আবারও প্রকল্প প্রস্তাবিত হলো। এই খালের জন্য এলাকাবাসী সমূহ দুর্দশায় পতিত। এটা বুজতে হবে। আবার টাকা বরাদ্দ হলো। সেটাও হজম হয়ে গেল। পরিদর্শক এলেন রাজধানী থেকে। দেখলেন, প্রকল্প সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এলাকায় কখনো খাল ছিল, কেউ বুঝতেই পারবে না। এটা পুকুরচুরি নয়, খালচুরি।

সরকারের প্রকল্পপ্রণেতা, বাস্তবায়নকারী, পরিদর্শকদের মিনতি করে বলি, আপনারা পুকুরচুরি করুন, খালচুরি করুন, কিন্তু অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প হাতে নিয়ে কোটি কোটি টাকার স্থাপনা সমাপ্ত/ না করে অব্যবহৃত ফেলে রাখবেন না। ধরা যাক, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়ামের ছবি দেখুন। এটা কি স্টেডিয়াম নাকি জলাভূমি নাকি কচুরিপানা চাষ প্রকল্প? দেখলে আপনার কান্না আসবেই। এই স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ হয়েছে। ফলটা দাঁড়িয়েছে, এলাকায় জলাবদ্ধতা। এলাকাবাসীর স্বাস্থ্যহানি। দুর্ভোগ। যেকোনো স্থাপনা নির্মাণের একটা কুফল আছে, পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া আছে। আপনি যদি একটা টিনের ঘরও নির্মাণ করেন, সূর্যরশ্মি প্রতিফলিত হয়ে তা পৃথিবীকে উষ্ণ করবে, বৃষ্টির পানি মাটিতে ঢুকতে বাধা দেবে! ফতুল্লা স্টেডিয়াম নির্মাণ ফলেও ধরিত্রী, পরিবেশ, প্রতিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমার প্রস্তাব হলো, এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় ক্ষতিকর প্রকল্পের প্রস্তাব হলে টাকা বরাদ্দ করুন। তারপর টাকাটা যোগ্যতা এবং ন্যায্যতা অনুসারে ভাগ–বাঁটোয়ারা করে নিন। নেতা কতটা পাবে, প্রকল্প পরিচালক কতটা পাবে, ঠিকাদার কত পাবে, এলাকার মাস্তানরা কত পাবে, যার যা পাওনা ঠিকঠাকভাবে নিয়ে নিন। শুধু প্রকল্পটা শুরু করবেন না। তাতে পরিবেশ বাঁচবে, প্রতিবেশ বাঁচবে, পৃথিবী নামের গ্রহটার ওপর একটু কম অত্যাচার হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন