You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ভোরে বিড়ালের ‘চিৎকারে’ সবাই জানল তয়না আর নেই

হঠাৎ ভোর বেলায় বিড়াল ডেকে ওঠে। এতে ঘুম ভেঙে যায় বাড়ির সবার। বেড়াল ডাকার কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা যায় সিলিংয়ে ঝুলছে ১৮ বছরের তয়না। বাবা-মায়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে। 

খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। তয়নার পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যে এভাবে তয়নার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের ধারনা তয়না আত্মহত্যা করেছেন। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী এবং শরীয়তপুর পৌরসভার তুলাসার গ্রামের নুরুজ্জামান ফকিরের মেয়ে। শরীয়তপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তয়না আক্তারের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।  পরিবারের সদস্যদের দাবি, তয়নার সঙ্গে একই কলেজের নয়নের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। নয়নের সঙ্গে অন্য এক মেয়ের ছবি দেখে তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়।

এ ঘটনায় সে আত্মহত্যা করেছে।   পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, তয়না ও নয়নের সঙ্গে গত তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হলে নয়নের সঙ্গে অন্য একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। রাতে মেসেঞ্জারে কেউ একজন নয়নের সঙ্গে অন্য এক মেয়ের ঘনিষ্ঠ কয়েকটি ছবি দেয় তয়নাকে। ছবি দেখার পর রাতে বন্ধুদের এসএমএস দিয়ে  আত্মহত্যা করে। ভোরে বিড়ালের ডাকে ঘুম ভাঙে পরিবারের সদস্যদের। বিড়াল খুঁজতে গিয়ে তয়নার রুমে তার মৃতদেহ দেখতে পায়। নিহতের বাবা নুরুজ্জামান ফকির বলেন, ‘গতকাল রাতেই ওই নয়ন আমার মেয়েকে অকথ্য ভাষায় অনেক গালিগালাজ করেছে যে তোর সাথে এতদিন সম্পর্ক করেছি টাইম পাস করার জন্য। তুই একটা ড্রাইভারের মেয়ে খারাপ মেয়ে। আমার সোনার টুকরার মেয়ে এমনে চইলা যাইব যদি জানতাম সারারাত আমি পাহারা দিতাম। আইনের মাধ্যমে আমি ওই নয়নের বিচার চাই। ’ পালং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আখতার হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘একটি ছেলের সঙ্গে প্রেম ঘটিত বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হওয়ায় মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে। এখন আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন