দেশে একদিকে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা সুবিধা সঙ্কুচিত হয়ে পড়ছে। বাস্তব অবস্থা হচ্ছে, করোনা রোগীদের সেবা দিতেই ব্যস্ত সময় পার করছেন চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টরা, নন-কোভিড রোগীদের বলা হচ্ছে-আগে কোভিড টেস্ট, পরে অন্য রোগের চিকিৎসা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকায় নন-কোভিড রোগী নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো। প্রশ্ন উঠতেই পারে, কোভিডই কি একমাত্র রোগ, অন্য রোগগুলোয় কি মানুষ মরে না? দ্বিতীয় প্রশ্ন, নন-কোভিড রোগীরা তাহলে যাবে কোথায়? হাসপাতালগুলোর অবস্থা এখন সঙ্গিন। একদিকে কোভিড রোগীরা অক্সিজেন-আইসিইউ পেতে এক হাসপাতাল থেকে ছুটছেন অন্য হাসপাতালে, অন্যদিকে আছে শয্যা ও চিকিৎসক সংকটও। এরই মধ্যে রোগীর চাপে রাজধানীর ১৭টি কোভিড-ডেডিকেটেড সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে শয্যা সংকট তৈরি হয়েছে। রাজধানীর বাইরের অনেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শয্যার অতিরিক্ত রোগী। এ অবস্থায় নন-কোভিড রোগীরা যে অবহেলার শিকার হবেন, এর পক্ষে কেউ কেউ যুক্তি দেখাতে পারেন বৈকি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন অন্য কথা। তারা বলছেন, কোভিড-নন কোভিড সব রোগীর চিকিৎসা সমভাবে নিশ্চিত করতে হবে। এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান যুগান্তরকে বলেছেন, করোনা চিকিৎসার পাশাপাশি নন-কোভিড রোগীদের চিকিৎসা যেন ব্যাহত না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। কারণ অন্য রোগীদের মৃত্যুর সংখ্যা করোনার মৃত্যুর তুলনায় কম নয়। সুতরাং চিকিৎসকদের দায়িত্ব সব রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেছেন, অন্যান্য রোগীর ক্ষেত্রে করোনা পরীক্ষার প্রয়োজন আছে, তার মানে এই নয় যে, পরীক্ষার নামে চিকিৎসা বন্ধ থাকবে। এ ক্ষেত্রে দ্রুত পরীক্ষার জন্য র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে কোনোভাবেই যেন নন-কোভিড রোগীর চিকিৎসা ব্যাহত না হয়।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
নন-কোভিড রোগীদের দুর্দশা
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন