You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ব্যাধির ব্যাধি সারাবে কে

মানব জাতিকে ক্ষয়ের মধ্য দিয়ে টিকে থাকার জন্য যুদ্ধ করতে হচ্ছে অদৃশ্য এক শক্তির বিরুদ্ধে। দৃশ্যমান অপশক্তিও কম নয়।। আমরা জানি, বিশ্বে কোনো সংক্রামক ব্যাধিই নির্মূল করা যায়নি টিকা প্রয়োগ ছাড়া। এ টিকা আবিস্কার-উৎপাদনে সময় লেগেছে। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানী-গবেষকরা দ্রুততার সঙ্গেই করোনার টিকা আবিস্কারে সফলতা দেখিয়েছেন। বিশ্বে এখন বেশ কয়েকটি দেশ করোনার টিকা উৎপাদন করছে। কিন্তু তাতেও কুলাচ্ছে না। দেশে দেশে চলছে টিকার জন্য হাহাকার। আমরাও এর বাইরে নই।

সরকার দ্রুততার সঙ্গে প্রথমে কিছু টিকা আমদানি করলেও আমাদের প্রাপ্তির যে বড় উৎস ভারত; তাদের সঙ্গে আমরা চুক্তি করেও সেই নিরিখে টিকা পাইনি। তারপরও তারা আমাদের উপহার হিসেবে অনেক টিকা দিয়েছে। চীনও কম দেয়নি। উপহার এবং আমদানি করা টিকা মিলিয়ে পরিমাণটা এ পর্যন্ত যা দাঁড়াল তা চাহিদার অনুপাতে সামান্য। সরকারের নিরন্তর প্রয়াস রয়েছে বিভিন্ন উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের। আমাদের নিজেদের টিকা উৎপাদনে যাওয়ার কথা হয়েছে, কিন্তু তা গতিশীল করা যাচ্ছে না। এই টিকা বৈশ্বিক সম্পদ হিসেবে ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৫ জুন সমকালের শীর্ষ প্রতিবেদনে জানা গেল, বৈশ্বিক টিকা রাজনীতির ফাঁদে পড়েছে বাংলাদেশ। টিকা সংকটকে পুঁজি করে উৎপাদক কোনো কোনো দেশ মুনাফা কিংবা অতি বাণিজ্যিকীকরণের চেষ্টা করছে- এ অভিযোগও উঠেছে। বিশ্বব্যাপী চলমান ভয়াবহ ব্যাধির প্রেক্ষাপটে সক্ষমদের সৃষ্ট এ আর এক ব্যাধি, যা মানব জাতির জন্য খুব পরিতাপের।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন