অর্থনৈতিক শোষণ থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করে মানুষের অধিকার আদায়ের প্রশ্নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অবিস্মরণীয় নাম। এই নামের স্বাক্ষর আমরা খুঁজে ফিরি পতাকায়, স্বাধীনতায় এবং সার্বভৌমত্বের মহিমায়। ভাষার মুক্তি, শৃঙ্খলমুক্তির মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি ঘটিয়ে স্বমহিমায় ও স্বমর্যাদায় বাঙালি জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করাই ছিল বঙ্গবন্ধুর মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি নিরলস কাজ করে গেছেন। তিনি স্বপ্টম্ন দেখতেন, এদেশের দুঃখী মেহনতী মানুষ একদিন নিজের পায়ে দাঁড়াবে এবং সম্মানজনক জীবনযাপন করবে। সেই লক্ষ্য সামনে নিয়ে স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে শিল্প, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য শিল্পের সম্প্রসারণ দরকারি বিধায় বঙ্গবন্ধু আগের শিল্পনীতি রহিত করে নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করলেন। ব্যক্তিগত কারখানাগুলো সরকারীকরণ ছিল তার মধ্যে অন্যতম। শ্রমিক-কর্মকতা-কর্মচারীরা নব উদ্যমে, নতুন আশায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্টেম্নর সোনার বাংলা গড়ার কাজে মনোযোগী হলেন। দেশের সর্বস্তরের মানুষ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যখন দেশ গড়ায় ব্যস্ত। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশ যখন স্বনির্ভরতার দিকে এগোচ্ছে, ঠিক তখনই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শত্রুদের হাতে তিনি সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হলেন। জাতিকে ঢেকে দিল অন্ধকার।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
সিরাজগঞ্জে অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্ভাবনা
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন