যেকোনো স্বীকৃত গবেষণা কতটুকু নৈতিক মানদণ্ডে চলছে, তার জন্য ‘Plagiarism’ শব্দটা অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করছে। Plagiarism সম্পর্কে আমার জ্ঞান খুবই সীমিত। তবু কিছু কথা লেখার চেষ্টা করছি, এটা এজন্য যে বিষয়টি বিভ্রান্তির গোলকধাঁধায় ঘুরপাক খাচ্ছে। আর স্বাভাবিকভাবেই গবেষণার অনৈতিকতা নিয়ে সংবাদ ও বিশ্লেষণ হাজির করা সাংবাদিকতারই কাজ।
কারণ সাংবাদিকতা সমাজের ক্যামেরা হিসেবে কাজ করে। তাই তার ক্যামেরার সেটিংয়ের কারণে সঠিক চিত্র আসতে পারে, আবার অন্যায়ভাবে ও রাজনীতির মারপ্যাঁচে কেউ ফেঁসেও যেতে পারে। গবেষণা জালিয়াতির নামে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বহু সংবাদ পরিবেশনের পেরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি এখন কারো অগোচরে নেই। ফলে প্রচ্ছন্ন সাংবাদিকতা আর নীতিহীন রাজনীতির আশঙ্কা থেকে আমরা মুক্ত নই। আবার ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক, আমাদের গবেষণা কতটুকু নৈতিকতাসম্পন্ন, সে প্রশ্ন উড়িয়ে দেয়া যায় না। আর তাই গবেষণার নৈতিকতা, পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও আদর্শিক সাংবাদিকতার প্রয়োজন সর্বজনীন।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.