আমেরিকার ক্যাপিটল ভবনে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক হামলাকারীদের হাতে জখম এক পুলিশ অফিসারের গত কাল মৃত্যু হয়েছে। ঘরে-বাইরে প্রবল বেকায়দায় পড়ে আজ ভিডিয়ো-বার্তা দিয়ে সে দিনের হিংসার নিন্দা করেছেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট। তবে টুইট করে ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, জো বাইডেনের শপথে তিনি থাকছেন না। ডেমোক্র্যাটরা অবশ্য রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ তুলে মেয়াদ শেষের আগেই ট্রাম্পকে সরানোর প্রক্রিয়া শুরুর জন্য চাপ বাড়াচ্ছেন। সূত্রের বক্তব্য, ভবিষ্যতের সম্ভাব্য আইনি জটিলতা এড়াতে বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে নিজেই নিজেকে ক্ষমা করে দেওয়ার কথা ভাবছেন ট্রাম্প।
ক্যাপিটলে হামলার প্রতিবাদে আমেরিকার শিক্ষাসচিব বেটসি ডেভোস এবং পরিবহণ সচিব এলেইন চাও ইস্তফা দিয়েছেন। ওই হামলায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে ১২ ঘণ্টার জন্য ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছিল টুইটার। সেই নিষেধাজ্ঞা ওঠার পরে টুইটারেই ট্রাম্প একটি ভিডিয়ো-বক্তৃতা পোস্ট করে বলেছেন, ক্যাপিটলে যাঁরা ঢুকেছিলেন, তাঁরা দেশের গণতন্ত্রকে অপবিত্র করেছেন। আরও বলেছেন, ‘‘অন্য আমেরিকানদের মতোই আমি ক্ষুব্ধ। যারা হিংসা ও ধ্বংসে জড়িত, তারা কোনও দেশের প্রতিনিধিত্ব করে না। আইন ভাঙলে ভুগতে হবে।’’ আমেরিকার নির্বাচনী আইন সংস্কার করা উচিত বলে জানিয়েও তিনি বার্তা দিয়েছেন যে, হাড্ডাহাড্ডি ভোটের পরে এখন আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করার সময়। বলেছেন, ‘‘কংগ্রেসের শংসাপত্রের পরে ২০ জানুয়ারি নতুন প্রশাসন কাজ শুরু করবে। মসৃণ ও সুশৃঙ্খল ভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরই এখন আমার লক্ষ্য।’’ তবে ভাঙলেও মচকাচ্ছেন না ট্রাম্প। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘‘যাঁরা জানতে চেয়েছিলেন,
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.