বাংলাদেশকে জাতিসংঘে অন্তর্ভুক্তির পক্ষে রায়, চীনের ভেটো অব্যাহত
(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ওই বছরের ৩০ নভেম্বর সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মত এক প্রস্তাব গৃহীত হয়। কিন্তু চীন এই মর্মে নোটিশ প্রদান করে যে, ডিসেম্বর যুদ্ধের সব পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দিকে পাকিস্তানে ফেরত না পাঠানো পর্যন্ত বাংলাদেশের আবেদনে ভেটো প্রদান অব্যাহত রাখবে চীন।
১৩২ জাতিবিশিষ্ট সাধারণ পরিষদে যুগপৎ দুটি প্রস্তাব গৃহীত হয় এই দিনে। প্রথম প্রস্তাবে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্যপদ দানের সুপারিশ করা হয়। দ্বিতীয় প্রস্তাবে যুদ্ধবন্দিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান করা হয়। সাধারণ পরিষদের সভাপতি তার ভাষণে এ প্রস্তাবের ওপর নির্ভরশীলতার বিষয় উল্লেখ করেন। পাকিস্তানের সংখ্যালঘু ও পর্যটন দফতরের মন্ত্রী রাজা ত্রিদিব রায়ের দেওয়া আবশ্যকীয় পূর্বশর্ত হচ্ছে— ‘অমীমাংসিত সমস্যাগুলোর মীমাংসা এবং যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তিদান।’ বাংলাদেশের পর্যবেক্ষক দলের নেতা এস এ করিম এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জাতিসংঘের কোনও দেশকে সদস্যপদ দানের ক্ষেত্রে জাতিসংঘ সনদের উল্লিখিত শর্তাবলি ছাড়া অন্য কোনও শর্ত আরোপ করা যায় না।’ তিনি উল্লেখ করেন যে, সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত প্রস্তাবে বাংলাদেশের সদস্যপদ দানের জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। সদস্য পদের আবেদন বিবেচনার জন্য বাংলাদেশ পুনরায় কখন নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠানের আবেদন জানাবে, তা এ পর্যায়ে বলতে পারেন না বলে জানান।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.