সচেতন নাগরিক হিসেবে দিনভর মাস্ক পরে বাসায় ফিরে হ্যাঁচকা টানে সেটা ছুড়ে মারলেন রান্নাঘরের ময়লার ঝুড়িতে। তারপর হাতে হাতে সেটা চলে গেলো ডাস্টবিনে। ওদিকে ওপরতলার ফ্ল্যাটে আইসোলেশনে থাকা কোভিড আক্রান্ত আরেকজনের এটাসেটা বর্জ্যের শেষ ঠিকানাও হলো সেই একই ডাস্টবিন। বর্জ্যের হাত ধরে এভাবেই ওঁৎ পেতে থাকার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে প্রাণঘাতী কোভিড-১৯।
তালিকাটা শুধু মাস্কেই আটকে নেই। পিপিই, গ্লাভস ও রোগীর ব্যবহৃত যাবতীয় সামগ্রী নিয়ে দেখা দিচ্ছে নতুন সংকট। মোকাবিলা করতে মেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চটজলদি আধুনিকায়ন ও সমন্বিত নীতিমালা তো লাগবেই, সাধারণ মানুষের সচেতনতাটাও খুব জরুরি। তা না হলে গোটা দেশের আনাচেকানাচে ঘাপটি মেরে বসে থাকবে সরব এ ঘাতক।মে
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.