জীবনের ভাঙ্গা-গড়া গল্পের শেষ নেই ভ্রাম্যমাণ শ্রমিকদের। করোনার মধ্যে কিছুটা শ্রম বিক্রি করতে পারলেও কমেছে পারিশ্রমিক, পাননি সরকারি সহায়তাও। স্বচ্ছলতা তো দূরের কথা, ঘর ভাড়া আর প্রতিদিনের ব্যয় মেটানোই হয়ে পড়েছে দুঃসাধ্য। এসব শ্রমিকদের সরকারের কর্মসূচীর আওতায় আনার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।
কেউ স্বামীহারা, কেউ সংসারের দায়ে, বাদ নেই কিশোর থেকে বৃদ্ধ। যদিও অভাব মেটাতে বাধ মানে না বয়স বা লিঙ্গ। বাস্তবতার নজির মিলবে গাবতলীর নৌকা ঘাটে। এক নারী বালু শ্রমিক ফিরোজা। স্বামী হারানোর ১৫ বছর। সন্তানসহ জীবনের ছন্দপতন করোনাকালে হয়েছে আরো প্রকট। ফিরোজা বলেন, 'করোনা পড়ছে পড়ে বেতন দেয় না।'
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.