অফিস আদালত শপিংমল রেস্তোরাঁ সব খুলে দিয়ে যখন মানুষ ‘স্বাভাবিক’ জীবনে অভ্যস্ত হতে চেষ্টা করছেন, তখন মাস্ক বা সামাজিক দূরত্বের পাশাপাশি নতুন ধরনের কিছু কৌশল নিয়ে ভাবার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। অপেক্ষাকৃত বয়োজ্যেষ্ঠরা যেহেতু করোনা আক্রান্তের শঙ্কায় বেশি থাকেন, সেহেতু তাদের বিষয়ে পরিবারের তরুণদের বাড়তি সতর্কতা দরকার এবং সেটি মানা হচ্ছে কিনা সেই বিষয়টি কঠোর মনিটরিংয়ের ভেতর আনতে হবে বলে মত দিচ্ছেন তারা। মহামারি পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করার মুহূর্তে এর কোনও বিকল্প নেই।
বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন নাইমুর রহমান। বাসায় তার কর্মজীবী স্ত্রী, দুই বছরের কন্যা ও ৬৫ বছর বয়স্ক বাবা। সকালে অফিসে বেরিয়ে যান এই দম্পতি। বিকালে অফিস থেকে ফিরে নিজেদের মতো করে পরিচ্ছন্ন হয়ে, পোশাক ধুয়ে দিয়ে, তারপর অন্যদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তারপরও অপরাধী লাগে তাদের। নাইমুর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'আমি ফিরে এসে যতটা সম্ভব ক্লিন হচ্ছি, কিন্তু বাচ্চা বা বাবার সঙ্গে একেবারেই কনটাক্টে যাবো না তা কী করে হয়? এটা তো এক দুদিনের বিষয় না।'
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.