স্কুলভাড়া আর শিক্ষকদের বেতন দিতে না পারায়, অনেক কিন্ডারগার্টেনে ঝুলছে বিক্রির নোটিশ। এক্ষেত্রে আর্থিক অসঙ্গতির কথাই বলছেন মালিকরা। তবে বছরের পর বছর মুনাফা করে এখন স্কুল বন্ধ করে হাজারো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তায় ফেলা কোনোভাবেই যৌক্তিক মনে করছেন না শিক্ষাবিদরা।
তবে টিকে থাকতে মালিকরা চাইছেন প্রণোদনা। শিক্ষা উপমন্ত্রী বলছেন, এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রণোদনার আওতায় আনার সুযোগ নেই। গত ১৭ বছর ধরে রাজধানীর নবীনগর হাউজিংয়ের ফুলকুঁড়ি স্কুলটিতে, চলছিলো এলাকার স্বল্প আয়ের মানুষগুলোর ছেলে-মেয়ের পড়াশোনা। কিন্তু করোনা মহামারিতে আর্থিক সংকটে স্কুলটিতে এখন ঝুলছে বিক্রির নোটিশ। স্কুল চালানোর খরচ মেটাতে না পেরেই বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে- দাবি উদ্যোক্তাদের।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.