কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

বাড়ছে পদ্মার পানি বাড়ছে আতঙ্ক

বার্তা২৪ প্রকাশিত: ০৫ জুলাই ২০২০, ১০:২৪

রাজবাড়ীতে বাড়ছে পদ্মার পানি, বাড়ছে মানুষের আতঙ্ক। প্রতিদিনই কয়েক সেন্টিমিটার করে বাড়ছে পানি। পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ঝুঁকিতে রয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের অন্যতম প্রবেশদ্বার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ও নদী পাড়ের হাজারো পরিবার। নদী ভাঙনের আশঙ্কায় তারা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। গত এক দশক ধরে নদী ভাঙনের শিকার এসব মানুষ ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড স্থায়ী পদক্ষেপ না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এরই মধ্যে নদী ভাঙনের শিকার হয়ে কয়েক হাজার পরিবার অন্যত্র চলে গিয়েছেন। কেউ আবার জায়গা-জমি সব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচেই পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। ভাঙনের কবলে পড়ে হয়েছেন ভূমিহীন।


এবারও চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই পদ্মার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথেই গোয়ালন্দের দুটি ইউনিয়নের প্রায় ১০ টি গ্রাম রয়েছে ভাঙনের চরম ঝুঁকিতে। এরই মাঝে এসব গ্রামে ভাঙন শুরু হয়েছে।


দৌলতদিয়া পয়েন্টে ৯ দশমিক ১১ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, পদ্মার পানি বৃদ্ধি পেয়ে রাজবাড়ীর তিনটি পয়েন্টের মধ্যে দৌলতদিয়া গেজ পয়েন্টের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ৩০ জুন এই পয়েন্টে দশমিক ২১ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছড়া ১ জুলাই দশমিক ১২ সেন্টিমিটার, ৩ জুলাই দশমিক ৪৪ সেন্টিমিটার এবং ৪ জুলাই দশমিক ৪৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে তা শনিবার পর্যন্ত দৌলতদিয়া পয়েন্টে ৯ দশমিক ১১ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ছাত্তার মেম্বারপাড়া, নতুনপাড়া, ব্যাপারীপাড়ার একাধিক নদী পাড়ের মানুষ বার্তা২৪.কমকে বলেন, প্রায় ১০-১২ বছর ধরেই নদী ভাঙছে। প্রতিবছরই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে আমাদের বসতভিটাসহ কৃষি আবাদী জমি। ভাঙন রোধে নেই কোন স্থায়ী ব্যবস্থা। যখন ভাঙন শুরু হয় তখনই কেবল নামে মাত্র কাজ করে। যে কাজে কোন সফলতা আসে না। শুধু শুধু সরকারের টাকা নষ্ট। আমরা চাই-সরকার নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও