স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বাড়তি বরাদ্দ রাখার পরামর্শ
বাজেটে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বাড়তি বরাদ্দ রাখার ওপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। ২৭ জুন শনিবার বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সানেম ও একশন এইড বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনায় সরকারকে এ পরামর্শ দেন তিনি। সানেম গবেষণা পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সায়েমা হক বিদিশার সঞ্চালনায় ‘তরুণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন : প্রেক্ষাপট ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এই ভার্চুয়াল আলোচনা হয়।
আতিউর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য খাতে এবার বরাদ্দ কিছুটা বাড়ানো হলেও এটা যথেষ্ট নয়। কারণ কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবিলায় আমাদের হাসপাতালগুলোতে সুযোগ-সুবিধা ব্যাপকহারে বাড়াতে হবে। দেশের সব হাসপাতাল মিলে মাত্র বারোশ’র মতো আইসিইউ আছে। এটা অন্তত ৩ হাজারে উন্নীত করা উচিত। এসব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগামী বাজেটে ঘাটিত বাজেট বাড়িয়ে হলেও স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। দেশে প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এসব ক্লিনিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তরুণদের সারাদেশের জনগোষ্ঠীর সচেতনতা তৈরিতে যুক্ত করা যায়। এখনও দেশের মাত্র ৩৫ শতাংশ মানুষ মাস্ক পড়ছে। এটা অন্তত ৭০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার জন্য তরুণদের কিভাবে কাজে লাগানো যায় সেটা ভাবতে হবে। মানসম্পন্ন সচেতনতা তৈরিই মহামারী প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায়। দেশের তরুণদের যুক্ত করেই মানসম্পন্ন সচেতনতা তৈরি করা যায়।
আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক বলেন, তরুণদের এখন ভোকেশনাল শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ২০১৬ সালে ন্যাশনাল ইয়ুথ অ্যাকশন প্ল্যানে যে সুপারিশ করা হয়েছিল সেটা এখনও বাস্তবায়ন করা হয়নি। সভাপতির বক্তব্যে একশন এইডের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ফারাহ কবির বলেন, করোনাভাইরাস মহামারী প্রতিরোধের জন্য যেসব প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে সেসব প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ওপরই সফলতা নির্ভর করছে। দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য প্রযুক্তির যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের অন্তর্ভুক্ত করে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। এতে সফল হলে উদ্যোক্তারা সুবিধা পাবেন।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.