রাণু মন্ডল ঠিক যেন উল্কার মতো ৷ হঠাৎ করেই পৌঁছে গেলেন সাফল্যের চূড়ায় আবার ঠিক তেমন দ্রুতই হলো অবস্থার অবনতি৷ এমনই অবস্থা তাঁর এখন যে, কোনও মতে একবেলা খেয়ে-পরে বাঁচছেন তিনি। লকডাউনের শুরুর দিকেও শিল্পীকে দেখা গিয়েছিল এলাকার দুঃস্থ খাবার বিলি করতে। কিন্তু কিছু দিন ঘুরতে না ঘুরতেই তাঁর নিজের হাল বেহাল। জানা গেছে যে, দু’বেলা দু’মুঠো খাবারও জুটছে না রাণুর। অভাবে-অর্ধাহারে দিন কাটছে তাঁর। একবেলা ভাত খেলে অন্যবেলায় খেতে হচ্ছে শুধু মুড়ি। ধীরে ধীরে আরও খারাপ হচ্ছে অবস্থা৷ পাড়ার ক্লাব সাহায্য করলে জুটছে খাবার, না হলে তাও নয়। এখন আর তাঁর কাজ নেই। এই সময় কোথাও গান গাইবার প্রশ্নও নেই। তাই কেউ খোঁজও নিচ্ছে না।
একা ঘরের মধ্যে পড়ে রয়েছেন তেরি মেরি-র গায়িকা। ঠিক যেন পুরনো দিনগুলো ফিরেছে রাণুর জীবনে৷ যেখান থেকে তাঁর উত্থান, আবার সেই জায়গায় চলে গিয়েছেন রাণু। রাণু মন্ডলের জীবন যেন একেবারে রূপকথার মতো। রাণাঘাট স্টেশনে গান গেয়ে ভিক্ষা করতেন তিনি। সেখান থেকে লতার গাওয়া গান গেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হন রাণু। তাঁর গলায় গান শোনেনি, এমন মানুষ মেলা মুশকিল। তারপর সেই রাণাঘাটের স্টেশন ছেড়ে তিনি পাড়ি দেন মুম্বাই। হিমেশ রেশমিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে গান করেন। তেরি মেরি কাহনি গানটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়। মুহূর্তে রাণু হয়ে যান সেলিব্রিটি। কিন্তু কে জানত, সেই রঙিন জীবনও হবে ক্ষণস্থায়ী৷ সত্যি, এ যেন এক রূপকথাই বটে। নিউজ এইটিন
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.