করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যদিয়েই সীমিত আকারে চলছে নৌযান। সরকার ঘোষিত সাধারণ ও ঈদের ছুটি শেষে শহরে ফিরছে কর্মজীবী মানুষ। তাই পরিবহনের পাশাপাশি চলতে শুরু করেছে লঞ্চ-স্টিমারও। ফলে নৌ ভ্রমণের ক্ষেত্রে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি নিজেকেও সতর্ক থাকতে হবে।
জেনে নিন কীভাবে সতর্ক থাকবেন— ১. নদী বন্দরে জীবাণুমুক্ত করার টানেল ও তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থা আছে কি-না দেখে নিন।২. লঞ্চে ওঠা-নামার সময় পরস্পর থেকে এক মিটারেরও বেশি দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।৩. লঞ্চে আরোহনের পর বসার স্থানে নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।৪. লঞ্চে ওঠার আগেই মাস্ক পরে নিতে হবে। প্রয়োজনে পিপিই বা গ্লাভস পরতে পারেন। ৫. লঞ্চের টয়লেট ব্যবহার না করাই ভালো। করলেও সাবান-পানির ব্যবস্থা আছে কি-না দেখে নিন।
৬. লঞ্চের হোটেল বা ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে কিছু কিনে খাবেন না। পারলে সঙ্গে খাবার আনুন। ৭. প্রয়োজনে নিজের কাছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে পারেন। ৮. লঞ্চের বাসন ও বিছানাপত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন আছে কি-না দেখে নিন। ৯. লঞ্চের রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে থাকা থেকে বিরত থাকবেন। ১০. লঞ্চের কেবিনে থাকলে দরজার হাতল ধরবেন না।১১. যতদূর সম্ভব নিজের চোখ, মুখ ও কানে হাত দেবেন না।১২. লঞ্চে কোনো রকম আড্ডা বা খেলাধুলা থেকে বিরত থাকবেন। ১৩. লঞ্চ থেকে নেমে বাসায় ঢুকেই দুই হাতে স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন। ১৪. বাসায় পৌঁছে পরনের কাপড়-চোপড় ধুয়ে গোসল করে নেবেন।১৫. ভ্রমণের পর অন্তত ১৪ দিন পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.