মাত্র পাঁচ মাসে করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী ৩ লাখ ৬৫হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে। তবে সামনে এমন কিছু ঘটতে পারে তার তুলনায় এটি কিছুই নয়। 'কীভাবে মহামারী থেকে বেঁচে যাবেন'-শীর্ষক নতুন বইয়ে বিজ্ঞানী ও চিকিত্সক ডঃ মাইকেল গ্রেগর সতর্ক করেছন যে, উপচে পড়া ভিড় এবং অস্বাস্থ্যকর মুরগির খামার থেকে উদ্ভূত একটি 'অ্যাপোকেলিপ্টিক' ভাইরাসে মানব জাতির অর্ধেক নিশ্চিহ্ন হ্ওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি একবার তার 'মাংসের মানহানি' বিচারে ওপরাহ উইনফ্রের পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।
গ্রেগার নামে একজন নিরামিষাশী লিখেছেন যে, মহামারীর ‘হারিকেন স্কেলে’ কোভিড -১৯ এর মৃত্যুর হার এক শতাংশের প্রায় অর্ধেক। চলতি মাসের শুরুর দিকে পরিবেশবিদরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে আমরা বন্যজীবনের (ওয়াইল্ড লাইফ) সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখলে বিশ্ব আরও একটি কঠিন মহামারির মুখোমুখি হবে।
গ্রেগোর এ বিষয়ে মুরগির ওপর দোষকে পুরোপুরি চাপিয়ে দিয়েছেন। গ্রেগার লিখেছেন, অতি মহামারিতে বিস্ফোরকভাবে মানুষ থেকে একটি ভাইরাস অপর মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯২০ সালে পাখি থেতে উদ্ভূত স্প্যানিশ ফ্লু এবং ১৯৯৭ সালের হংকংয়ের এইচ৫এন১ এর প্রাদুর্ভাবের কথা উল্লেখ করে গ্রেগর লিখেছেন, 'উদ্বেগটি হলো ভাইরাসটি কখনও স্থির হয় না, তবে সর্বদা পরিবর্তিত হয়।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.