কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় অংশ নেবেন না খালেদা জিয়া

বাংলা নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৭ মে ২০২০, ১৬:১৯

ঢাকা: বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত ভার্চ্যুয়াল আলোচনাসভায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অংশ নেবেন না বলে জানিয়েছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (২৭ মে) দুপুরে উত্তরায় নিজের বাসা থেকে ভার্চ্যুয়াল প্রেস কনফারেন্সে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। 

ভার্চ্যুয়াল সভায় খালেদা জিয়া যোগ দেবেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, উনি (খালেদা জিয়া) এখন টোটালি কোয়ারেন্টিনে আছেন, বিচ্ছিন্ন আছেন। তাকে এখানে আনার কোনো প্রয়োজনীয়তা আমরা মনে করছি না।  ‘ভার্চ্যুয়াল প্রেস কনফারেন্স থেকে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল।

এর মধ্যে ৩০ মে সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সব মহানগর ও জেলা কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত এবং কালো পতাকা উত্তোলন, বেলা ১১টায় ঢাকায় শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের কবরে শুধু জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পুস্পমাল্য অর্পণে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বিকেল সাড়ে ৩টায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলের প্রতিষ্ঠাতার স্মরণে ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা।’


  ‘করোনা মহামারিতে বিএনপি নেতারা মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে।’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, উনি সঠিক কথা বলছেন না। আমরা অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে মানুষের পাশে আছি। আমি এর আগেও সংবাদ সম্মেলনে বলেছি, ইতোমধ্যে আমরা প্রায় সোয়া কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে গেছি। দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের।


তারপরও আমাদের সাধ্যমতো মানুষকে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছি। আমরা লিফলেট বিতরণ করেছি, মাস্ক বিতরণ করেছি, বস্তিগুলোতে বেসিন লাগিয়ে দিয়েছি। হাসপাতালগুলোতে যতটুকু সম্ভব পিপিই পৌঁছে দিয়েছি। ‘আমরা প্রথম থেকে সরকারকে অনুরোধ করেছি। অর্থনৈতিক প্যাকেজ দিয়েছি। ৬১ হাজার কোটি টাকা শুধু সাধারণ মানুষকে দিতে বলেছিলাম, যা অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ছিল। কিন্তু সরকার যে প্যাকেজ দিয়েছে তার মধ্যে ৭৭ হাজার কোটি টাকা শুধু ব্যাংকের ঋণ।’

  তিনি বলেন, আমরা শুধু সমালোচনার জন্য নয় মানুষকে বাঁচানোর জন্য, সহযোগিতা করার জন্য সরকারের কাছে বারবার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। কিন্তু সরকার তা গ্রহণ করেনি।  লকডাউন তুলে নেওয়া উচিত কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা মনে করি যে প্রাথমিকভাবে যদি লকডাউনটা করা যেত তাহলে সংক্রমণের হার অনেক কম হতো। এখনতো সারাদেশে গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে পড়েছে। পরীক্ষাও নেই। পরীক্ষা হলেই ধরা পড়ছে। যেসব দেশ লকডাউন তুলে নিতে চাচ্ছে তারা তিনমাস লকডাউন করে এখন কিছুটা শিথিল করার চেষ্টা করছে। আমাদের এই ঘনবসতির দেশে শক্তভাবে করতে না পারলে হবে না।  বাংলাদেশ সময়: ১৬০৮ ঘণ্টা, মে ২৭, ২০২০ এমএইচ/এএ

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও