ধীরে ধীরে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়লেও শিথিল করা হচ্ছে বিধি-নিষেধ। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে সীমিত পরিসরে পোশাক কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। দোকানপাট-শপিং মল খুলছে ১০ মে। তারই ধারাবাহিকতায় যোগাযোগ ব্যবস্থাও চালু করার চিন্তাভাবনা করছে সরকার। এজন্য স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে কারিগরি নির্দেশনাও তৈরি করা হয়েছে।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় গত ২৮ মার্চ দেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহযোগিতার জন্য ৮ জন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞকে দায়িত্ব দিয়েছে। তাদের দেশের বিভিন্ন বিভাগ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা ও সেবা বৃদ্ধি এবং কার্যকর করার লক্ষ্যে পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়। করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে প্রস্তুতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে সমন্বয় করতেও তাদের বলা হয়।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.