শেখ মুজিবকে আমি পেয়েছিলাম একজন ক্যারিশম্যাটিক লিডার হিসেবে, দুর্দান্ত সংগঠক হিসেবে। তার একটি দরদি মন ছিল। যেটা আমি কাছ থেকে দেখেছি এবং এই কলামেই সে বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছি। তিনি একটি সোনার বাংলা চেয়েছিলেন। কিন্তু কাজটি আসলেই কঠিন ছিল। কারণ আমরা সোনার মানুষ ছিলাম না। যে কারণে ১৯৭৫ সালের মর্মান্তিক ঘটনাবলি আমাদের প্রত্যক্ষ করতে হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের পর রাষ্ট্র ও সমাজযন্ত্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো বিধ্বস্ত ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে একটি অস্থির সময় তৈরি হয়। এই অস্থির সময়েই তিনি একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল করেন। তখন আমি দেশের বাইরে ছিলাম। তবে এই পরিণত বয়সে এসে আমার মনে হয় তখনকার পরিস্থিতিতে এই রাষ্ট্রকে মেরামত করার জন্য একজন ‘বেনিভোলেন্ট ডিক্টেটর’ বা ‘জনদরদি স্বৈরশাসক’ দরকার ছিল।
মুজিব স্বাধীনতার জন্য জাতিকে উজ্জীবিত করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ নতুন একটি দেশের জন্ম দিয়েছে। পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থা, সমাজব্যবস্থা ওলট-পালট হয়ে গেছে। লাইন অব কমান্ড ভেঙে গেছে। জনগণ তখন বিশৃঙ্খল। মুক্তিযুদ্ধের সময় তরুণদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়া হয়। তখনকার প্রেক্ষাপটে সেটি দরকার ছিল। কিন্তু সেটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ার জন্য সময় পাননি মুজিব। আজকে আমরা সমাজে যে সন্ত্রাস ও অস্ত্রবাজী দেখি তার শেকড় ওই সময়টাতেই রোপিত হয়েছিল। তখন সমাজকে শান্ত ও সুশৃঙ্খল করতে আমাদের একজন ‘হিতৈষী স্বৈরশাসক’ দরকার ছিল। ঘর ভেঙে যাওয়ার পর তা মেরামতের জন্য কারিগরি দক্ষতা লাগে। তেমনি রাষ্ট্র ভেঙে যাওয়ার পর এর মেরামতের জন্যও ভিশন ও দক্ষতার প্রয়োজন হয়। রাতারাতি এটা হয় না, সময়ের প্রয়োজন হয়। সেই সময় মুজিব পাননি। বাকশাল করে তিনি প্রচলিত সব প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা ভেঙে দিয়ে হয়তো নতুন করে গড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু ‘চেইন অব কামান্ড’ প্রতিষ্ঠার আগেই তাকে জীবন দিতে হলো।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.