কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

১০ পাতা করে নাপা কিনেছেন একেকজন, বরিশালে ওষুধ সংকট

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০২০, ১৯:৫৭

বরিশালের ফার্মেসিগুলো থেকে প্যারাসিটামল, অ্যান্টি-হিস্টামিন, অ্যান্টি-ম্যালেরিয়ার, ভিটামিন সি, অ্যাজিথ্রোমাইসিন জাতীয় ওষুধ গায়েব করে দেয়া হয়েছে। ফলে ফার্মেসিগুলোতে এজাতীয় ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ফার্মেসি থেকে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও স্যানিটাইজার উধাও হয়ে গেছে। বরিশাল নগরীর বিভিন্ন এলাকার সাতজন ফার্মেসি মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে ছড়ানো করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে গত রোববার ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা করে সরকার। বৃহস্পতিবার থেকে ১০ দিনের ছুটি শুরু হয়। এই ১০ দিন বাড়িতে অবস্থানের কথা বলা হয়েছে। প্রশাসনকে সহায়তা দিতে সশস্ত্র বাহিনী নামানো হয়েছে এমন খবরে রোববার থেকে ফার্মেসিগুলোতে ওষুধ কিনতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে প্যারাসিটামল, অ্যান্টি-হিস্টামিন, অ্যান্টি-ম্যালেরিয়ার, ভিটামিন সি, অ্যাজিথ্রোমাইসিন জাতীয় ওষুধের বিক্রি বেড়ে যায়। ফার্মেসি মালিকরা জানিয়েছেন, গত চারদিনে প্যারাসিটামল, অ্যান্টি-হিস্টামিন, অ্যান্টি-ম্যালেরিয়ার, ভিটামিন সি, অ্যাজিথ্রোমাইসিন জাতীয় ওষুধ যে পরিমাণ বিক্রি হয়েছে, গত চার মাসেও তা হয়নি। চাহিদা মতো সরবরাহ না থাকায় ওসব ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। এদিকে নগরীর অধিকাংশ ফার্মেসিতে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার নেই। হঠাৎ করেই উধাও হয়ে গেছে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ব্যবহৃত এসব পণ্যসামগ্রী। ফার্মেসি মালিকরা জানিয়েছেন, দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর হ্যান্ড স্যানিটাইজারের বিক্রি বেড়ে যায়। তবে শুধু এ কারণে সংকট তৈরি হয়েছে বলা যাবে না। প্রশাসনের কর্মকর্তারা দোকান থেকে গাড়িভর্তি করে হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এরপরও তাদের চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না। আরও হ্যান্ড স্যানিটাইজার চাচ্ছেন তারা। নগরীর রূপাতলী হাউজিং এলাকার বাসিন্দা নাসির উদ্দিন সোহাগ। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। সোহাগ জানান, তার পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচজন। সোমবার তিনি এলাকার একটি ফার্মেসি থেকে জ্বরের জন্য ১০ পাতা নাপা, সর্দির জন্য ১০ পাতা এলাট্রল ও কাশির জন্য তিন বোতল সিরাপ কেনেন। নগরীর বটতলা বাজারসংলগ্ন নাফি ফার্মেসির মালিক মীর হাসান মোর্শেদ জানান, তার ফার্মেসিতে ৩৫০-৪০০ ধরনের ওষুধ রয়েছে। তবে গত চারদিনে প্যারাসিটামল, অ্যান্টি-হিস্টামিন, অ্যান্টি-ম্যালেরিয়ার, ভিটামিন সি, অ্যাজিথ্রোমাইসিন জাতীয় ওষুধ যে পরিমাণ বিক্রি হয়েছে, গত চার মাসেও তা হয়নি। একেকজন ১০ পাতা নাপা কিনেছেন। অতিরিক্ত চাহিদার কারণে ওষুধের সংকট চলছে। মীর হাসান মোর্শেদ জানান, তিনি খুচরা বিক্রেতা। পাইকারি দোকান থেকে কিনে এনে তিনি ওষুধ বিক্রি করেন। ওসব ওষুধের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তাকে আগের চেয়ে বেশি দামে ওষুধ কিনতে হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও