বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দুই বছর তিন মাসের মাথায় এসে নয়াপল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয় ছাড়ছেন। এত দিন কার্যালয়ের একটি কক্ষেই তাঁর থাকা, খাওয়া, ঘুমের ব্যবস্থা ছিল। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রিজভী প্রথম আলোকে জানান, কার্যালয় ছেড়ে তিনি নিজ বাসায় উঠবেন। ২০১৮ সালের শুরু দিকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ধরপাকড় শুরু হয়। সে সময় বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় অনেক নেতাই গ্রেপ্তার হন। ওই বছর থেকেই রিজভী দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান করতে থাকেন। কার্যালয় ছেড়ে যাওয়ার ব্যাপারে প্রথম আলোকে রিজভী বলেন, ‘কিছুক্ষণের মধ্যেই কার্যালয় ছাড়ব। আমি ২০১৮ সালের ৩০ জানুয়ারি থেকে কার্যালয়ে অবস্থান করছি। বিভিন্ন পরিস্থিতি, রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হওয়ার একটা শঙ্কা দেখা দিচ্ছিল। ওই মুহূর্তে আমি অবস্থান নিয়েছিলাম। এরপর ম্যাডামকে জেলে নেওয়া হলো। এরপর পার্টির অফিসের নিচ থেকে নেতা-কর্মীদেরও ধরে নিয়ে যেত। এভাবে চলছিল। আমি ব্রত নিয়েই ছিলাম যে নেতা-কর্মীরা অফিসে এসে কাউকে যে পাবে না, এ কথা যেন না বলে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার জন্যই থেকেছি। ম্যাডাম গতকাল বেরিয়েছেন। এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে বাসায় যাব।’ প্রায় ২৫ মাস জেল খাটার পর গতকাল বুধবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেল থেকে মুক্তি পান। তাঁর মুক্তিতে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। খালেদা জিয়া জেলে যাওয়ার পর থেকে নয়াপল্টনের অফিসে রিজভী নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন করে আসছেন। এ ছাড়া প্রায়ই সকালে নেতা-কর্মীদের নিয়ে খালেদার মুক্তির দাবিতে ঝটিকা মিছিল বের করতেন। নয়াপল্টনে অবস্থান নেওয়ার পর থেকে রুহুল কবির রিজভী দলীয় কর্মসূচি বা শারীরিক অসুস্থতা ছাড়া কার্যালয় থেকে বের হননি। প্রথম আলোকে রিজভী বলেন, তিনি এখন তাঁর আদাবরের বাসায় গিয়ে উঠবেন। সেখান থেকেই নিয়মিত অফিস করবেন।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.