সকাল সকাল বাজারে যাব, কাজের লোক (ছুটা বুয়া) এসে জানালেন, কাছেই এক বাসায় কেউ মারা গেছেন। রোদেলা সকালে এমন সংবাদের মতো অপ্রিয় আর কিছু হতে পারে না; চারদিকে যখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। বেরিয়ে দেখি, কাছেই একটা বাসায় কিছু লোক ভিড় করেছে গেটে। একটা অ্যাম্বুলেন্স গেটের ভেতর অর্ধেক ঢোকানো। পরিচিত দারোয়ানকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করতেই তিনি জানালেন, এক মুরব্বি মারা গেছেন। অনেক বয়স। দীর্ঘদিন ধরে রোগে ভুগছিলেন। শেষে বললেন, ‘এইটা নরমাল মৃত্যু, স্যার। চিন্তার কিছু নাই।’ তাঁর কথায় শ্লেষের যে গুঁতো, এতে আমাদের মানসিকতার আকস্মিক পরিবর্তনের আভাস স্পষ্ট। এর মধ্যে নিশ্চয়ই আশপাশের অনেকে এই মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন করেছে। যার ফলে দারোয়ানের এ উত্তর। করোনাভাইরাস নিয়ে আসলে পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে, এতে স্বাভাবিক মৃত্যু নিয়েও স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হচ্ছে। কারণ করোনাভাইরাস ধরা পড়ার পর বেশ কয়েকজন হাসপাতাল থেকে পালিয়েছেন। সামাজিকভাবে নিগৃহীত ও একঘরে হওয়ার ভয়ে অনেক পরিবার আক্রান্ত ব্যক্তির তথ্য গোপন করে ধরা পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক মৃত্যু নিয়েও সন্দেহ হচ্ছে, আসলে করোনা কেস নয় তো?
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.