You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বিস্মৃতির আড়ালে রাজধানীর একুশের স্মারক

ঢাকায় নির্মিত প্রথম শহীদ মিনারে ভেঙে ফেলার মাধ্যম পাকিস্তানি শাসকরা মুছে ফেলতে চেয়েছিল ভাষা আন্দোলনের প্রধানতম স্মারকটি। পরবর্তীকালে নির্মিত বর্তমান শহীদ মিনার এখনও রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের স্মারক হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পাকিস্তানিরা অধিকাংশ স্মারক মুছে ফেলতে না পারলেও সেটা পেরেছি আমরা! রাজধানীর বুকে ছড়িয়ে থাকা একুশের অমর স্মৃতিস্মারকগুলো হারিয়ে গেছে বিস্মৃতির আড়ালে। উন্নয়নের বাহানায়, অযত্ন-অবহেলায় হারিয়ে গেছে একুশের স্মৃতি স্মারকগুলো। ভাষা সংগ্রামী ও গবেষকরা বলছেন, নতুন প্রজন্মের কাছে একুশের স্মৃতি স্মারকগুলো এখন শুধুই বইয়ের পাতায়। তাদের দাবি ধ্বংস হয়ে যাওয়া স্মৃতিচিহ্নগুলোর সামনে অন্তত একটি ফলক স্থাপনের। যাতে নতুন প্রজন্ম একুশের ইতিহাস জানতে পারে। একুশের বেশিরভাগ স্মৃতিচিহ্নই উন্নয়নের বার্তা দিয়ে নষ্ট করা হয়েছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবেহলায় হারিয়ে গেছে আমতলা, বেলতলা, ১৪৪ ধারা ভঙ্গের গেটের মতো ঐতিহাসিক স্থাপনা। যে নীলক্ষেত ব্যারাকে সরকারি কর্মচারীরা প্রতিবাদ করেছিলেন, সেখানে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন। কিন্তু এ ইতিহাসের খোঁজ জানেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। আওয়ামী লীগের ৯৪ নবাবপুর ও ১৫০ মোগলটুলীর কার্যালয়টি ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও সংরক্ষিত হয়নি। জরাজীর্ণ অবস্থায় কোনোমতে টিকে আছে নবাবপুরের ভবনটি। কিন্তু মোগলটুলীর ভবনটি নিজ চরিত্র হারিয়ে এখন বহুতল মার্কেট।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন