ছবি সংগৃহীত
প্রিয় গন্তব্য: সাঙ্গু নদী বেয়ে বান্দরবানের রিজুক ঝর্ণা
প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল ২০১৭, ০৭:১৯
আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০১৭, ০৭:১৯
আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০১৭, ০৭:১৯
হঠাৎ করে দেখে বোঝা না গেলেও রিজুক ঝর্ণাটি যথেষ্ট উঁচু। ছবি: সংগৃহীত।
(প্রিয়.কম): বগা লেক এবং কেওক্রাডং এখন অনেকেরই পছন্দের গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। যাতায়াত সুবিধা বাড়ার পাশাপাশি বগালেকে আদিবাসীদের কটেজে থাকার ব্যবস্থাও উন্নত হয়েছে, যার কারণে অনেকেই কয়েকদিনের ছুটি পেলে ঘুরে আসেন বগালেক হয়ে কেওক্রাডং চুড়া, যেটা কি না খাতা-কলমে এখনও দেশের সর্বোচ্চ চূড়া।
বগালেক যাবার পথে যে ঝর্ণাটিতে না গেলেই নয়, সেটা হল রিজুক ঝর্ণা। বগালেক যেতে হয় রুমা বাজার হয়ে, আর রুমা বাজার থেকেই যেতে হয় রিজুক ঝর্ণা।
কোথায়: বান্দরবানের রুমা উপজেলায় রুমা বাজার থেকে সাঙ্গু নদী বেয়ে মাত্র ঘণ্টা খানেকের দূরত্ব।
কীভাবে: ঢাকা থেকে বান্দরবান সরাসরি বাস সার্ভিস আছে। শ্যামলী, সাউদিয়া, ইউনিক, ডলফিন ইত্যাদি বাসে আপনি সহজেই পৌঁছে যেতে পারবেন বান্দরবান শহর। সেখান থেকে চান্দের গাড়ী করে রুমা বাজার। এমনিতেও যারা বগা লেক ও কেওক্রাডং যেতে চান, তাদেরকে রুমা বাজার হয়েই যেতে হবে। বেলা এগারোটার মাঝে রুমা বাজারে উপস্থিত থাকতে পারলে রিজুক ঝর্ণা ঘুরে আসে ঠিক সময়ে বগা লেক পৌঁছে যাওয়া খুবই সম্ভব। রুমা বাজারের নৌকা ঘাট থেকে নৌকা ভাড়া করে রিজুক থেকে ঘুরে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে, আর্মি ক্যাম্পে নাম লিখিয়ে সহজেই বগা লেকে যাওয়া যাবে। সাঙ্গু নদী বেয়ে রিজুক যেতে সময় লাগবে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। ফিরতে ২০ থেকে ৩০ মিনিট। ফিরতি পথে নদীর স্রোত সহায় থাকবে বলে সময় কম লাগবে। এক একটা নৌকায় সাত থেকে আট জন ধরে। যাওয়া আসা মিলিয়ে প্রতি নৌকা ১৪০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা ভাড়া নেবে।

যাবার পথে পড়বে সাঙ্গু নদী, বর্ষায় যার থাকে হাটুজল। ছবি: সংগৃহীত।
কী দেখবেন: আর দশটা ঝর্ণার মত রিজুক যাবারও সেরা সময় হল বর্ষাকাল। তবে শীতকালেও পানি থাকে। শীত কাল আর বর্ষাকালে দুটো ভিন্ন মজা পাওয়া যায় রিজুক ভ্রমণ থেকে। বর্ষায় গেলে ঝর্ণায় পানি বেশি থাকবে, সে তো সব ঝর্ণাতেই থাকে, বাড়তি পাওনা হল উত্তাল সাঙ্গু নদী।
আবার শীতে গেলে ঝর্ণায় পানি থাকে কম, কিন্তু নদী পথে যাত্রাটি হয়ে ওঠে অন্যরকম। অল্প পানি থাকার কারণে আপনি চলতে চলতে দেখতে পারবেন নদীর তলদেশ। রিজুকে পৌঁছে ঝর্ণায় যতটা না মজা, শীতল স্বচ্ছ নদীর পানিতে দাপিয়ে বেড়ানোর মজা তার থেকে বেশি। পানিতে শরীর ভাসিয়ে দিয়ে ভেসে ভেসে কিছুটা স্নরকেলিং এর মতোও করে ফেলতে পারবেন।
সাবধানতা: বিশেষ করে বর্ষায় সাঙ্গু নদীতে পাড়ি দিতে গেলে সাথে লাইফ জ্যাকেট রাখা অত্যন্ত জরুরী। রিজুক ঝর্ণার খুব কাছে না যাওয়াই ভাল। পানির স্রোতে ডুবে গিয়ে মানুষ মারা যাবার ঘটনাও ঘটেছে এখানে।
সম্পাদনা: ড. জিনিয়া রহমান।
আপনাদের মতামত জানাতে ই-মেইল করতে পারেন [email protected] এই ঠিকানায়।
১ ঘণ্টা, ৬ মিনিট আগে
১ ঘণ্টা, ১৪ মিনিট আগে
১ ঘণ্টা, ১৫ মিনিট আগে